জটিলতা কাটল, বৃহস্পতিবার সেন্টমার্টিন যাচ্ছে ৩ জাহাজ

জটিলতা কাটল, বৃহস্পতিবার সেন্টমার্টিন যাচ্ছে ৩ জাহাজ
সেন্টমার্টিনের পর্যটকবাহী জাহাজ। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

চার দিনের জটিলতা কাটিয়ে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌরুটে জাহাজ চলাচলের অনুমতি মিলেছে। এ রুটে তিনটি পর্যটকবাহী জাহাজকে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজগুলো চলাচল শুরু করবে।

বুধবার দুপুরে বিআইডব্লিউটিএর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক শাখার উপপরিচালক সালমা আফরোজ স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদন পাওয়া জাহাজ তিনটি হলো এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলী ও এমভি টেকনাফ। তিনটি জাহাজে একসঙ্গে ২ হাজার ২৯৮ জন যাত্রী পরিবহন করা যাবে।

জাহাজমালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বুধবার রাত ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘তিনটি জাহাজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চলাচলের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ায় এখন আর কোনো বাধা নেই। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজগুলো কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।’

জাহাজগুলোর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার যাত্রী ধারণক্ষমতা ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলীর ৭৩২ জন ও এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন।

আরও পড়ুন

সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে বিকেল আড়াইটায় সেন্টমার্টিন পৌঁছাবে। এমভি কর্ণফুলী সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করবে। জাহাজটি বেলা ২টা ১৫ মিনিটে সেন্টমার্টিন থেকে ফিরবে। এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে কক্সবাজার ছাড়বে। বিকেল সাড়ে ৩টায় জাহাজটির দ্বীপে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রশাসনিক জটিলতায় ফের বন্ধ সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ

এর আগে গত ২৫ অক্টোবর বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেয়। তবে জাহাজ চলাচলের অনুমোদন না মেলায় নির্ধারিত দিনে পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হয়নি। চার দিন পর প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মতি পাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে জাহাজ চলাচলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ নভেম্বর থেকে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে পারবেন। এ সময় দ্বীপে রাতযাপনেরও সুযোগ থাকবে। তবে ভ্রমণের জন্য অনুমতিপত্র ও কিউআর কোডযুক্ত টিকিট সংগ্রহ করতে হবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন।

দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের জন্য বেশ কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। রাতে সৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টি আয়োজন নিষিদ্ধ। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ ও কেনাবেচাও করা যাবে না।

এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালের ক্ষতি করা নিষিদ্ধ। সৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চলাচলও বন্ধ থাকবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad