চালককে মারধরের অভিযোগের তদন্ত চলার মধ্যে বিভাগীয় মামলা স্থগিত

চালককে মারধরের অভিযোগের তদন্ত চলার মধ্যে বিভাগীয় মামলা স্থগিত
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

গাড়িচালক মো. আলী হোসেন বাচ্চুকে মারধরের অভিযোগের ঘটনায় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানার সইয়ে করা বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট।

বাচ্চুর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। একই সঙ্গে রুল জারি করেছে আদালত।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. বাকির হোসেন ও আবু সাদেক আব্দুল্লাহ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী।

গাড়িচালক আলী হোসেন বাচ্চুর অভিযোগ, গত ২৩ আগস্ট সকালে বিচারকের খাসকামরায় ডেকে নিয়ে তাকে মারধর করা হয়। গাড়ির লগবইয়ে সময় লেখাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বিচারক তার চোখে ঘুষি মারেন এবং কানের ওপর থাপ্পড় দেন বলে দাবি করেন তিনি। পরে চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। চোখে ব্যান্ডেজও করতে হয়েছিল।

আরও পড়ুন

তবে মারধরের অভিযোগ নাকচ করেছেন ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা ইশতিয়াক হোসেন জনি। তার বক্তব্য, গাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কথা বলতে বাচ্চুকে খাসকামরায় ডাকা হয়েছিল। একপর্যায়ে বিচারক তাকে ধমক দিয়ে কক্ষ থেকে বের করে দেন। কিন্তু মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ঘটনাটি নজরে আসার পর ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট প্রশাসন তদন্তের নির্দেশ দেয়। অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ মো. রফিকুল ইসলামকে।

বাচ্চুর আইনজীবী মো. বাকির হোসেন বলেন, ২৪ সেপ্টেম্বর বিচারক সোহেল রানা গাড়িচালক মো. আলী হোসেন বাচ্চুর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেন। আইনজীবীর দাবি, ওই মামলায় বিচারক নিজেই বাদী এবং বিচারকের ভূমিকা পালন করছেন। এ কারণে বাচ্চু হাইকোর্টে রিট করেন।

আইনজীবী আরও বলেন, মারধরের অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্ট প্রশাসন ও মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির কার্যক্রম চলমান থাকা অবস্থায় চালকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার কার্যক্রম শুরু করা হয়। রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই মামলার কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad