সরাসরি সিজেপি নেতাদের ছাড়া বাকিদের ছেড়ে দিল দিল্লি পুলিশ

LIVE Updated 2 hours ago

Latest

সিজেপি নেতাদের ছাড়া বাকি সবাইকে ছেড়েছে দিল্লি পুলিশ

দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভে আটককেন্দ্র থেকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের ছাড়া বাকি সবাইকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। তবে সিজেপি নেতাদের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলা হবে।

এর আগে টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক করে পুলিশ।

Update

পিছু হটছে না সিজেপি, কাল আবার যন্তর মন্তরে কর্মসূচি

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অজিঙ্ক শিন্ডে রোববার দিল্লির যন্তর মন্তরের উদ্দেশ্যে মিছিলের ঘোষণা দিয়েছেন।

দলের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মোদি সরকার ভয় পাচ্ছে। আমরা একজোট হলে তাদের ক্ষমতার গদি টলে যেতে পারে। তবে আমরা পিছু হটছি না। আগামীকাল আবার যন্তর মন্তরের উদ্দেশ্যে মিছিল করব। সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করব।’

Update

দিল্লিতে আন্দোলন দমনে কড়াকড়ি: রোববার বিশেষ শুনানি

দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি দমনে গত ৯ অক্টোবরের আদালত অবমাননার অভিযোগে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিটিআই।

টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে ৭ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করে পুলিশ। দিল্লি বিমানবন্দর থেকে ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে ও সৌরভ দাসকে আটক করা হয়।

এ ছাড়া আটক হওয়া সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনোরাই বিজয়ন, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার সংসদ সদস্য জন ব্রিটাসকে দিনের শেষভাগে ছেড়ে দেওয়া হয়।

সূত্র: ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস

Update

সোমবার ফের বড় আন্দোলনের ডাক ‘ইন্ডিয়া’ জোটের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রাজপথে নামছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’। সোমবার দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে অংশ নেবেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এবারে বিরোধী নেতাদের গন্তব্য সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে তারা স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি ভবনে যাওয়া ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদলটিই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে। কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল সোমবারের এই বিশাল বিক্ষোভের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার কেন্দ্র সরকার ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে আক্রমণ করে বেণুগোপাল বলেন, ‘জ্ঞানেশকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ চেষ্টা করছেন। এ আচরণই মোদী সরকারের পতনের কারণ হবে।’ তিনি যোগ করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিরোধী জোটের আন্দোলন চলবে।

এর আগে গত মঙ্গলবার সাংসদদের নিয়ে নির্বাচন সদন অভিযান চালান রাহুল, প্রিয়াঙ্কা, অভিষেক ও অখিলেশ। এরপর শুক্রবার রাতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠক করেন জোটের প্রতিনিধিরা। বৈঠকটি অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন নেতারা।

সূত্র: আনন্দবাজার

Update

দিল্লি বিক্ষোভে আটক ৭ হাজার, নেহা বোরাকে মুক্তি

দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভে শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। টাইমস অব ইন্ডিয়া এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। এর মধ্যে মুক্তি পেয়েছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি ও আন্দোলনের অন্যতম মুখ নেহা বোরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে তিনি নিজেই মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নেহা বোরা পোস্টে জানান, পুলিশ তার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়েছিল। পরে তা ফেরত দেওয়া হয়। ময়দানগড়ি থানা থেকে অন্য নারী বিক্ষোভকারীদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তরাখণ্ডের খটিমার বাসিন্দা নেহা দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও বি আর আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন। বর্তমানে তিনি জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) থিয়েটার ও পারফরম্যান্স বিষয়ে ডক্টরেট করছেন।

নেহা জানান, থিয়েটারচর্চা তার রাজনৈতিক ও সামাজিক চেতনা তৈরি করেছে। ২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়। যন্তর মন্তরে টানা ২৩ দিন অনশন করার সময় তার ওজন সাড়ে সাত কেজি কমে যায়। রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে নামলেও চিকিৎসকদের নিষেধ সত্ত্বেও তিনি আন্দোলন চালিয়ে যান। অনশনকালে সামাজিক মাধ্যমে তার ব্যাঙ্গাত্মক পোস্টগুলো ব্যাপক ভাইরাল হয়। মোদি সরকারের ক্ষমতা ক্ষুধাকে পেটের ক্ষুধার সঙ্গে তুলনা করে তিনি তীব্র সমালোচনা করেছিলেন।

Update

দিল্লি বিক্ষোভে আটক ৬ হাজার, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা

নির্বাচন কমিশনবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীতে কঠোর কড়াকড়ি জারি করা হয়েছে।

শনিবার দিল্লিতে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনোরাই বিজয়ন, নেহা বোরা, যোগেন্দ্র যাদব ও প্রশান্ত ভূষণসহ বহু বিরোধী নেতাকর্মী এবং আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। বিকাল পৌনে ৭টা পর্যন্ত দিল্লিজুড়ে আটক করা হয় প্রায় ছয় হাজার মানুষকে। যন্তর মন্তরমুখী সড়কগুলোতে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে কোনো আন্দোলনকারী পৌঁছাতে পারেননি।

আটক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছেন জলবায়ু কর্মী সোনম ওয়াংচুক। রোববারের মধ্যে আটক নেতাদের ছাড়া না হলে তিনি ফের অনশনে বসার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে পুলিশের দমন-পীড়ন সত্ত্বেও সিজেপি ও এনসিপি (এসপি) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

যন্তর মন্তরমুখী মূল মিছিলে বাধা দেওয়ার পর আন্দোলনকারীদের দিল্লি হাটে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সেখান থেকে আইসা নেত্রী নেহা বোরা ও যোগেন্দ্র যাদব মিছিল বের করলে প্রশান্ত ভূষণসহ তাদের আটক করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল নেতাদের আটক করা হয় তাদের দিল্লি বাসভবনের সামনে থেকে। কেজরিওয়াল ও সৌরভ ভরদ্বাজ যন্তর মন্তরের কাছে আটক হন। পিনোরাই বিজয়নকে নিয়ে যাওয়া হয় ছত্রশাল স্টেডিয়ামে।

এদিকে দিল্লি বিমানবন্দরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ দুই শীর্ষ সংগঠক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করেছে পুলিশ। সকালে নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলে যোগ দেওয়ার চেষ্টাকালে তাদের আটক করা হয়।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Update

আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান, মোদিকে রাহুলের কঠোর হুঁশিয়ারি

তরুণদের বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘মি. মোদি, আপনার যা খুশি করুন। সব পুলিশকে ডাকুন: ১০,০০০, ২০,০০০, ৫০,০০০, আপনার যা ইচ্ছা। সব নেতাকে গ্রেপ্তার করুন। সব তরুণদের গ্রেপ্তার করুন। আমাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করুন।’

শনিবার এক এক্স বার্তায় রাহুল গান্ধী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নরেন্দ্র মোদি ও আরএসএসের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘আপনি যেভাবে আপনার প্রতিপক্ষকে বুঝবেন, আমি তাদের ঠিক সেভাবেই বুঝি—একদম ভেতর থেকে, আমার হাতের তালুর মতো। এই লোকগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো কাপুরুষতা।’

রাহুল গান্ধী আরও বলেন, নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ, মোহন ভাগবত, জ্ঞানেশ কুমার ও অজিত দোভালের চারপাশের জায়গা ছোট হয়ে আসছে। সেই জায়গা তাঁরা ছোট করে আনছেন।

Update

আটক সবাইকে মুক্তি না দিলে অনশন বা পদযাত্রার হুঁশিয়ারি সোনম ওয়াংচুকের

বিক্ষোভ ঘিরে আটক সবাইকে আগামীকালের মধ্যে মুক্তি দেওয়া না হলে অনশন বা পদযাত্রা কর্মসূচির কথা বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশ আন্দোলনকর্মী সোনম ওয়াংচুক।

ম্যাগসাইসাই পুরস্কারজয়ী শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক আজ এক এক্স বার্তায় বলেছেন, ‘গতকাল যখন আমি আজকের বিক্ষোভে ঐক্য ও শান্তির জন্য আবেদন জানিয়ে একটি বার্তা পোস্ট করেছিলাম, তখন কল্পনাও করতে পারিনি যে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র একটি অঘোষিত জরুরি অবস্থার মধ্যে পড়বে।’

লাদাখের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই পরিবেশ আন্দোলনকর্মী আরও বলেন, ‘আন্দোলনটি পরিচালনার জন্য এত নেতা দেখে খুশি হয়েছিলাম, কিন্তু এখন জানতে পেরেছি যে তাঁদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি আশা করি, গ্রেপ্তার সবাইকে শিগগিরই মুক্তি দেওয়া হবে। আগামীকালের মধ্যে তাঁদের মুক্তি দেওয়া না হলে আমি অনশন বা পদযাত্রা কর্মসূচির কথা বিবেচনা করতে বাধ্য হবো।’

Update

প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে মুক্তি পেলেন আটক আইনজীবীরা

‘ককরোচদের’ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে কিছুক্ষণ আটক থাকার পর মুক্তি পেলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। আইনি খবর পরিবেশনকারী ওয়েবসাইট ‘লাইভ ল’ অনুযায়ী, আটক আইনজীবীদের মুক্তিতে হস্তক্ষেপ করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। এরপরই মুক্তি পান তারা।

শনিবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের বাইরে থেকে বহু আইনজীবীকে আটক করা হয়। ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’ জানায়, প্রাক্কলিত খবর অনুযায়ী প্রায় ১০০ জন আইনজীবীকে আটক করা হয়েছিল। আইনজীবীদের ধরপাকড়ের বেশ কিছু ছবি প্রকাশিত হয়েছে। দাবি করা হয়, তাদের আটক করে যমুনা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ অবস্থায় আটক আইনজীবীদের মুক্তিতে হস্তক্ষেপের জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে অনুরোধ জানায় সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাও এতে সাহায্য করেন। পরবর্তী সময় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

‘লাইভ ল’ জানায়, সুপ্রিম কোর্ট অ্যাডভোকেটস-অন-রেকর্ড অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও বিষয়টি প্রধান বিচারপতির নজরে আনা হয়। সংগঠনটি জানায়, আইনজীবীদের মুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।

সিজেপি নেতাদের ছাড়া বাকিদের ছেড়ে দিল দিল্লি পুলিশ
ছবি: এপি/ ইউএনবি
Advertisement
Advertisement
Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad