আদালতে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সুব্রত বাইন বলেছেন, ‘আমি বাঁচার জন্য অস্ত্র রাখি। আমার কাছে অস্ত্র থাকে না, মিথ্যা বলব না।’
বুধবার বিকেল ৩ টা ৪৬ মিনিটে তাকে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইনের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বিচারক না থাকায় সাংবাদিকদের সুব্রত বাইন একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘১৯৮৬ সাল থেকে আমার পেছনে শত্রু। আমার নাম করে অনেকে চাঁদাবাজি করে। কিন্তু আমি নিজেই জানি না। আপনারা খুঁজে বের করুন, আধুনিক যুগে চাঁদাবাজ কারা।’
সুব্রত বাইন আরো বলেন, ‘আপনারা সাংবাদিকরা ছবি-ভিডিও সব নেন। কিন্তু যে যা তাই লেইখেন, যেটা সত্য সেইটাই লেইখেন। হলুদ সাংবাদিক হইয়েন না। ১৯৯০ সাল থেকে লিখে আসছেন। আমরাও তো পরিবার আছে। আমি কখনো প্রতিবাদ করি নাই। আমি নিজেকে জানি, নিজেকে চিনি। ৬১ বছর হয়ে গেছে।’
এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৫ টার দিকে সেনাবাহিনীর অভিযানে কুষ্টিয়া জেলা থেকে ‘তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী’ সুব্রত বাইন, ওরফে ফতেহ আলী ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোল্লা মাসুদ, ওরফে আবু রাসেল মাসুদ গ্রেপ্তার হয়।
পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সুব্রতর দুই সহযোগী শ্যুটার আরাফাত ও শরীফকে। বুধবার তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে নতুন মামলা দায়ের করা হয়।
এদিন আদালত সুব্রত বাইনের ৮ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। এছাড়া আদালত তার সহযোগী মোল্লা মাসুদ, শ্যুটার আরাফাত ইবনে নাসির ও এমএএস শরীফের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।


