কলেজশিক্ষার্থী রিজওয়ান রশিদের নির্মিত গো-কার্ট (রেসিং কার) চালিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রাঙ্গণে গো-কার্টটি চালান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বলেন, রিজওয়ান রশিদের তৈরি করা গো-কার্ট পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। এক পর্যায়ে তিনি রিজয়ান রশিদকে এরকম উদ্ভাবনী কাজে উৎসাহ দিতে নিজেই কারটি চালিয়ে দেখেন। প্রধানমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে গো-কার্ট (রেসিং কার) তৈরি করা তরুণকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং তার প্রশংসা করে ভবিষ্যতে আরও আধুনিক সংস্করণ তৈরিতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি জানান, দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন রিজওয়ান রশিদ। সেখানে নিজের তৈরি গো-কার্টটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করেন তিনি। আগ্রহভরে নতুন এই যানটি পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী গো-কার্ট চালানোর অভিজ্ঞতা শেষে নির্মাতা তরুণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের তরুণদের এমন সৃজনশীল কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়া উচিত।’
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীকে গো-কার্ট তৈরির গল্প শোনান রিজওয়ান রশিদ। তিনি জানান, তার বাবা একজন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যান্ত্রিক বিভাগে কর্মরত। বাবার অনুপ্রেরণাতেই এই কাজ শুরু করেন তিনি। ২০২৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষার পর অবসর সময়কে কাজে লাগাতে কিছু করার পরিকল্পনা করেন রিজওয়ান রশিদ। পরিবারের পক্ষ থেকে মোটরসাইকেল কিনে দিলেও তার আগ্রহ ছিল গাড়িতে। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকায় তিনি নিজেই গো-কার্ট তৈরি করেন।
প্রধানমন্ত্রী গো-কার্টটি চালানোয় অভিভূত হয়েছেন তরুণ রিজওয়ান রশিদ। তিনি বলেন, ‘তার বানানো গাড়ি প্রধানমন্ত্রী চালাবেন তা তিনি ভাবতেই পারেননি, এটি তাকে অনুপ্রাণিত করেছে।’
রিজওয়ান রশিদ জানান, গো-কার্টটি রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসেছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গো-কার্ট তৈরির বিষয়টি ভাইরাল হলে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। পরে এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।


