গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ নিয়ে আলোচনার দাবিতে দেওয়া নোটিশের প্রতিকার না পেয়ে জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল।
বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে অনির্ধারিত আলোচনায় বিষয়টি উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে এজেন্ডা উত্থাপন করেছি তা মূলত গণভোট এবং এর সংস্কার প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে গঠিত পরিষদের সভা আহ্বানের বিষয়ে ছিল।’
‘সংস্কার পরিষদ নিয়ে আলোচনা হলে বিশেষ কমিটি গঠন করা হলে আমরা তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করব এবং সেখানে সরকারি ও বিরোধী দল থেকে সমান সংখ্যক সদস্য থাকলে তা অর্থবহ হবে,’ যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এটি জন-আকাঙ্ক্ষার বিষয় এবং প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের রায়ের প্রতিফলন; আমরা আশা করেছিলাম আপনার মাধ্যমে প্রতিকার পাব, কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়।’
জবাবে স্পিকার বলেন, ‘গতকালের প্রস্তাবটি ছিল একটি মুলতবি প্রস্তাব, যা আমার অনুপস্থিতিতে গৃহীত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ৫৩ বছরের সংসদীয় ইতিহাসে মাত্র তিনটি মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে; তারপরও বিরোধী দলকে কথা বলার সুযোগ দিতে এটি গ্রহণ করা হয়েছে।’
‘আরও একটি মুলতবি প্রস্তাবের নোটিশ বিবেচনায় রয়েছে এবং সেখানে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।
এরপর বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘প্রতিকার না পাওয়ায় এবং বিষয়টি জনগণের রায়ের প্রতিফলন না হওয়ায় আমরা এর প্রতিবাদে ওয়াকআউট করছি।’
স্পিকার বলেন, ‘ওয়াকআউট করা আপনাদের অধিকার, তবে পরবর্তী প্রস্তাবটি শোনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ করছি।’
তবে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘নতুন নোটিশটি মূল বিষয়কে আড়াল করার জন্য আনা হয়েছে বলে আমরা মনে করি, তাই দুই বিষয়েই প্রতিবাদ জানিয়ে আমরা ওয়াকআউট করছি।’
স্পিকার বলেন, ‘সংসদীয় রীতি অনুযায়ী আপনারা ওয়াকআউট করতে পারেন।’


