ইসির সঙ্গে বৈঠক: ভোট ঘিরে আশঙ্কা ও চ্যালেঞ্জ জানতে চায় ইইউ

ইসির সঙ্গে বৈঠক: ভোট ঘিরে আশঙ্কা ও চ্যালেঞ্জ জানতে চায় ইইউ
Advertisement
Advertisement

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে কোন কোন চ্যালেঞ্জ রয়েছে কিংবা কোনো আশঙ্কা রয়েছে কিনা তা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে জানতে চেয়েছে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)।

বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে ইই ‘র একটি প্রতিনিধি দল। সেখানেই এসব তথ্য জানতে চাওয়া হয়।

বৈঠকের পর নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। উনাদের দুটি বিষয়ে কৌতূহল ছিল। তারা মূলত আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি এবং নির্বাচন কমিশন কোনো কিছুতে আশঙ্কা করছে কিনা জানতে চেয়েছেন।’

নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে তাদের জানানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন এরই মধ্যে ১১৬টি আসনের ব্যালট পেপার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব ব্যালট পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তাদের জানানো হয়েছে।’

কিছু আসনে আদালতের নির্দেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে ব্যালট পুনর্মুদ্রণ করতে গিয়ে কিছুটা দেরি হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আখতার আহমেদ বলেন, ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী–সে বিষয়েও জানতে চেয়েছিলেন।

আরও পড়ুন

নির্বাচন কমিশন অপতথ্য ও তথ্যের অপপ্রচারকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সচিব বলেন, ‘অপপ্রচার মোকাবিলায় মেটার (ফেসবুক কর্তৃপক্ষ) সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চেয়েছিল। আমরা বলেছি আলোচনা চলছে এবং আমরা আশা করছি মেটা সহযোগিতা করবে।’

এছাড়া ইন্টারনেটের গতি কমানোর মতো পদক্ষেপের পরিবর্তে বিভ্রান্তিকর, বিদ্বেষমূলক ও আক্রমণাত্মক কনটেন্ট অপসারণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছে ইসি।

সচিব বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল, যে আমাদের ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যানটা কী? আমরা বলেছি, ডেপ্লয়মেন্ট প্ল্যান অনুযায়ী সাত দিন সেনাবাহিনী, আট দিন আনসার মোতায়েন থাকবে এবং পুলিশ আগেই মাঠে রয়েছে। সেনাবাহিনী ইতোমধ্যে মাঠে আছে, নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ দায়িত্ব অনুযায়ী তারা কাজ করবে।’

এ পর্যন্ত বিদেশ থেকে মোট ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২৪টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে পৌঁছেছে এবং ১ লাখ ৭ হাজারের বেশি ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দপ্তরে জমা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এছাড়া দেশের ভেতরে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছেছে ২৭ হাজার ৩৬৭টি ব্যালট।

কারাগারে থাকা বন্দীদের ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মোট ৬ হাজার ৯১ জন বন্দি ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করেছেন। তাদের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে এবং তা ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।’

মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সংখ্যক পোস্টাল ব্যালট আটকে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড়ের কারণে কিছু ব্যালট পাঠাতে বিলম্ব হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad