বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন। এরই মধ্যে তার কর্মসূচিও ঠিক করেছে দলটি। শুক্রবার জুমার নামাজের পর তিনি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন।
পরে তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন। সেখানে তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
এদিকে, শনিবার তিনি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)–সংক্রান্ত কার্যক্রম শেষ করবেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে শায়িত শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যাবেন তিনি।
বুধবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
লন্ডনে দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি সময় নির্বাসিত জীবন শেষে বৃহস্পতিবার দেশে ফেরার পর তারেক রহমানকে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় লাখো মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান।’
কথাটি বলার আগে তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের ৬২ বছর আগের ঐতিহাসিক ভাষণের কথা স্মরণ করেন।
১৯৬৩ সালের ২৭ আগস্ট ওয়াশিংটনের লিঙ্কন মেমোরিয়ালে লাখো মানুষের সমাবেশে মার্টিন লুথার কিং বর্ণবৈষম্যমুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দেখার স্বপ্নের কথা তুলে ধরে বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম।’
তারেক রহমান বলেন, ‘এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য এবং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য দেশের প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা যদি পাশে থাকেন এবং আমাদের সহযোগিতা করেন, ইনশাআল্লাহ আমরা “আই হ্যাভ আ প্ল্যান” বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হব।’


