বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছিল। বিশেষ করে বিএনপির মতো একটি বৃহৎ দল সরাসরি নেতৃত্ব থেকে বঞ্চিত ছিল। তারেক রহমানের আগমনে সেই শূন্যতা পূরণ হবে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রেক্ষাপটে সহিংস ও প্রতিহিংসার রাজনীতির একটি নির্মম বাস্তবতাও সামনে আসে।
তিনি দাবি করেন, পতিত ফ্যাসিস্ট শাসনের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তারেক রহমানকে নির্বাসনে থাকতে হয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে প্রতিহিংসা চিরতরে উৎখাতের যে প্রয়াস শুরু হয়েছে, তা তারেক রহমানসহ সবার সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আশা করা যায় তারেক রহমান দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সুস্থতায় অবদান রাখবেন এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করবেন।
ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, তারেক রহমান নিজ বক্তব্যে একটি নিজস্ব পরিকল্পনার কথা বলেছেন। ওই পরিকল্পনায় ইতিবাচক ও সুষ্ঠু রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ এবং ফ্যাসিবাদের স্থায়ী অবসানের স্পষ্ট দিকনির্দেশনা থাকবে বলে তারা আশা করেন।
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পরও দীর্ঘদিন তারেক রহমান দেশের বাইরে থাকার পেছনে কিছু অস্পষ্ট কারণের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের একজন রাজনৈতিক নেতার দেশে ফেরা অন্য কারও নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে–এটি গ্রহণযোগ্য নয়। যদি এমন কোনো পরিস্থিতি বাস্তবেই থেকে থাকে, তবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করতে হবে।
এ বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করে ইসলামী আন্দোলন।


