দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলতে নামছেন বলে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন কেবল মুশফিকুর রহিমই। এত বড় অর্জন তো আর কারো নেই বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে। অনন্য এই উচ্চতায় পৌঁছানোর উপলক্ষ্যটা মুশফিক রাঙিয়েছেন দারুণ এক সেঞ্চুরিতে, ১৪৮ বছরের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে ১১-তম ব্যাটার হিসেবে। মুশফিকময় এই ম্যাচে নিজের ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন লিটন দাসও।
প্রথম দিন শেষে মাঠ ছেড়েছিলেন দুই চারের মারে ৪৭ রানে অপরাজিত থেকে। দ্বিতীয় দিন ফিরে সাজিয়েছেন দারুণ সব শটের পসরা। এরপর দুই ছক্কার সাথে চার মেরেছেন আরো পাঁচটা। দুই আইরিশ স্পিনারকেও সামলেছেন দারুণ হাতে। ফুল লেন্থে পিচ করা বলে লং অন-লং অফ দিয়ে আছড়ে ফেলেছেন দুইবার। খেলেছেন দারুণ একটা রিভার্স সুইপও। সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন সুইপ করে চার মেরে। এক বছরের বেশি সময় পর সেঞ্চুরির দেখা পেলেন টেস্ট ক্রিকেটে ৩০০০ রান করা এই ব্যাটার। গত বছরের আগস্টে রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ সেঞ্চুরি ছিল তার।
এর আগে মুশফিকের ১৩-তম সেঞ্চুরির পর চার মেরে ক্যারিয়ারের ২০-তম ফিফটিতে পা রাখেন লিটন। মুশফিক ফেরার আগে অবশ্য একটা শতরানের জুটিও হয়েছে দুজনের। সাত নম্বরে নামা মেহেদী হাসান মিরাজের সাথেও সমানতালে রান তুলেছেন তিনি। দুজন গড়েছেন ৭৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। দ্বিতীয় দিনের লাঞ্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৩৮৭। লিটন অপরাজিত ১০৩ রানে, মিরাজের সংগ্রহ ৩০*।


