সাজেকে সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কথিত হামলার প্রতিবাদে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় শনিবার আধাবেলা অবরোধের ডাক দিয়েছে ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদ।
বৃহস্পতিবার বিকালে সংগঠনের সভাপতি উষাতন চাকমা এক বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন। অবরোধ সফল করতে পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সংগঠন এবং দুই জেলার যান মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশন সড়ক অবরোধের ডাক দেয়। এ কর্মসূচি পালনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অবরোধকারীদের লাঠিচার্জ ও ঘরবাড়ি-দোকানপাট ভাঙচুর করে। এরই প্রতিবাদে ২৪ অক্টোবর শনিবার রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় সকাল ৫টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সড়ক ও নৌপথ অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।
এরআগে সকাল ১১টার দিকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশনের ডাকা অবরোধের কারণে সাজেক থেকে ফেরার পথে দুই হাজারেরও বেশি পর্যটকবাহী শতাধিক গাড়ি আটকা পড়ে। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিচার্জ করে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে পর্যটকবাহী গাড়িগুলোকে নিরাপদে খাগড়াছড়ি নিয়ে আসে।
এই দুই সংগঠনের ডাকা অবরোধের কারণে সাজেক পর্যটন এলাকা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।
গেল কিছুদিন ধরে সাজেক এলাকায় জেএসএস-এর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছে গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী এসোসিয়েশন। আর এই দুই সংগঠনকে নেপথ্যে সমর্থন জানাচ্ছে পাহাড়িদের আরেক প্রভাবশালী সংগঠন ইউপিডিএফ। গত কয়েক বছর ধরে প্রায়ই সশস্ত্র সংঘাতে লিপ্ত হচ্ছে ইউপিডিএফ ও জেএসএস।


