অপ্রতিম হত্যা: অজ্ঞাত নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ পরিবারের

অপ্রতিম হত্যা: অজ্ঞাত নম্বর থেকে হুমকির অভিযোগ পরিবারের
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যার পর অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাতে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারকে ফোন দেওয়া হয়। কলটি রিসিভ করার পর অপর প্রান্তের ব্যক্তি তার পরিচয় জানতে চান। পরিচয় দেওয়ার পর ওই ব্যক্তি তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। কল কেটে দেওয়ার পরও বারবার ফোন করা হলে তিনি নম্বরটি ব্লক করে দেন। পরে অন্য একটি নম্বর থেকেও তাকে একাধিকবার কল করা হয়।

পরে প্রতিবেদক ওই দুটি নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করলে সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। এসব ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় অপ্রতিমের মা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাহিদা বেগম তার মোবাইল নম্বর বন্ধ রেখেছেন।

কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, ‘আমার ছেলে মারা গেছে। তাকে আইফোনের জন্যই মারা হয়েছে, নাকি অন্য কোনো কারণ আছে, সেটা আমরা জানি না। আমাদের মধ্যেও শঙ্কা কাজ করছে। মাঝেমধ্যে কিছু নম্বর থেকে কল আসে, কিন্তু পরিচয় দেয় না। সেদিন কল দিয়ে খুব খারাপ ভাষায় গালিগালাজ করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছেলেকে মেরে ফেলার পর আসামিরাই আমার সঙ্গে এসে আমার ছেলেকে খুঁজেছে। এখন তাদের লিডাররাও যে আমার বাসায় এসে আমার সঙ্গে কোলাকুলি করছে না, এর নিশ্চয়তা কী? পুলিশ তদন্তের স্বার্থে কিছু বলছে না। কিন্তু এর একটা বিহিত না হলে কীভাবে হবে? আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি।’

আরও পড়ুন

এ ঘটনায় নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পাশাপাশি বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) জানানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

সদর দক্ষিণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাইবার বুলিং এবং বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে অশোভন আচরণের অভিযোগে অপ্রতিমের বাবা জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। তাকে উদ্ধারে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালানোর পর সানন্দা এলাকার একটি পাহাড়ি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও মো. কামরুল হাসান (১৫) ‘কেবিজি’ নামের একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে জানা গেছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad