ভেনিসে এবার বাংলাদেশের আলোচনার বিষয় হওয়ার কথা ছিল সিনেমা। ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত চলচ্চিত্রটি ৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ওরিজন্তি প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হয়েছে। ভেনিসের প্রতিযোগিতায় জায়গা পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এটি। আমাদের সিনেমার জন্য নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক অর্জন। অথচ সেই আলোচনার পাশেই এখন এসে দাঁড়িয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি দৃশ্য। ভেনিসের কাছের মেস্ত্রের রাস্তায় একদল বাংলাদেশি আজমেরী হক বাঁধনকে ঘিরে ধরেছেন, তার গায়ে পানি, কোমল পানীয় ও ডিম ছুড়েছেন, হাত থেকে ফোন ফেলে দিয়েছেন এবং পরিবারের সদস্য ও একটি শিশুর সামনে জোর করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলানোর চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে এই দুই দৃশ্যের পাশাপাশি উপস্থিতিটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আহত করে। একটি চলচ্চিত্র যখন ভেনিসের মতো উৎসবে পৌঁছায়, সেখানে শুধু একটি ছবি যায় না। সঙ্গে যায় একটি দেশের সাংস্কৃতিক কল্পনাশক্তি, তার শিল্পীদের কাজ, নিজের গল্প নিজে বলার আত্মবিশ্বাস। ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ নিয়ে আমাদের কথা হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের সিনেমা কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমাদের নির্মাতারা আন্তর্জাতিক পরিসরে জায়গা তৈরি করছেন। অথচ একই সময়ে আরেকটি বাংলাদেশও দৃশ্যমান হলো, যেটি তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক বিদ্বেষ থেকে। একদিকে সিনেমা আমাদের জন্য সম্মান তৈরি করছে, অন্যদিকে নিজেদের রাজনৈতিক বিরোধ আমরা এমন জায়গায় নিয়ে যাচ্ছি, যেখানে সেই সম্মানের পাশেই আমাদের অসহিষ্ণুতাও দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।
বাঁধনের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে যে কারও মতভেদ থাকতে পারে। তার বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা হতে পারে, তার রাজনৈতিক অবস্থানের বিরোধিতা হতে পারে। সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই বিরোধ কাউকে দল বেঁধে ঘিরে ধরার, অপমান করার, গায়ে হাত দেওয়ার কিংবা জোর করে রাজনৈতিক স্লোগান বলানোর অধিকার দেয় না। আসল পরীক্ষাটা এখানেই। যার মত আমি পছন্দ করি না, তার নিরাপত্তার অধিকারটুকুও কি আমি মেনে নিতে পারি? যদি না পারি, তাহলে আমরা আসলে গণতন্ত্রের পক্ষে নই। আমরা শুধু চাই জবরদস্তি করার ক্ষমতাটা আমাদের পছন্দের পক্ষের হাতে থাকুক।
ভেনিসের ঘটনাটাকে তাই প্রবাসে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা হিসেবে দেখারও সুযোগ নেই। বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিরোধ এর আগেও দেশের সীমান্ত পেরিয়েছে। ২০২৪ সালে জেনেভা বিমানবন্দরে আসিফ নজরুলকে আক্রমণাত্মকভাবে ঘিরে ধরা হয়েছিল। ২০২৫ সালে নিউইয়র্ক ও লন্ডনে মাহফুজ আলমকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনা ঘটে। নিউইয়র্কে আখতার হোসেনের দিকে ডিম ছোড়া হয়, তাসনিম জারাকে নারীবিদ্বেষী গালাগাল দেওয়া হয়। আবার এর কয়েক দিনের মধ্যেই জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধরের অভিযোগে বিএনপির এক কর্মীকে নিউইয়র্ক পুলিশ গ্রেপ্তার করে। অর্থাৎ আজ যে পক্ষ আক্রান্ত, কাল তারই কোনো সমর্থক অন্য কাউকে একইভাবে আক্রমণ করতে পারে। পতাকা বদলায়, স্লোগান বদলায়, শিকার বদলায়, কিন্তু আচরণটা বদলায় না।
দেশের ভেতরেও একই জিনিস আমরা বারবার দেখেছি। রাহুল আনন্দের বাড়িতে হামলা ও আগুনে তার হাজার হাজার বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস হয়েছে। ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে রোকেয়া প্রাচী লাঠিপেটার শিকার হয়েছেন। সাংবাদিক মুন্নী সাহাকে জনতা ঘিরে ধরার পর পুলিশ হস্তক্ষেপ করেছে। চলচ্চিত্র প্রযোজক সেলিম খান ও তার অভিনেতা ছেলে শান্ত খানকে মব পিটিয়ে হত্যা করেছে। অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমানকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই মানুষগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান এক ছিল না, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগও এক ছিল না। কিন্তু সেটাই তো মূল কথা। কাউকে আমি অপছন্দ করি বলেই তার ওপর মব গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না।
মবের কোনো স্থায়ী রাজনৈতিক দল নেই। আমরা সুবিধামতো তাকে দলীয় পরিচয় দিই। আমার পক্ষের মানুষ কাউকে ঘিরে ধরলে বলি ‘জনতার ক্ষোভ’, অন্য পক্ষ করলে বলি ‘মব সহিংসতা’। কিন্তু কাজটা একই। কয়েকজন বা কয়েকশ মানুষ সংখ্যার জোরে ধরে নেয়, তারাই বিচারক। তারাই ঠিক করবে কে কথা বলবে, কে গান গাইবে, কোন নাটক হবে, কোন মাজার থাকবে, এমনকি আরেকজন মানুষ কোন রাজনৈতিক স্লোগান বলবে। আজ ধর্মের নামে, কাল বিপ্লবের নামে, পরদিন বঙ্গবন্ধুর নামে কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ে। নাম বদলায়, কিন্তু জবরদস্তিটা একই থাকে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাবে ২০২৪ সালে মব সহিংসতায় ১২৮ জন এবং ২০২৫ সালে ১৯৭ জন নিহত হয়েছেন। কিন্তু এই সংখ্যা শুধু নিহত মানুষের হিসাব দেয়। ভয় পেয়ে কোন শিল্পী গান বন্ধ করলেন, কোন আয়োজক অনুষ্ঠান করলেন না, কে নিজের বক্তব্য বদলে ফেললেন, সেই হিসাব আমাদের কাছে নেই। আমরা জাতীয় নাট্যশালায় ‘নিত্যপুরাণ’-এর প্রদর্শনী জনতার চাপের মুখে বন্ধ হতে দেখেছি। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের শেষ পর্যন্ত ৯৭টি মাজারে হামলার ঘটনায় তিনজন নিহত ও ৪৬৮ জন আহত হয়েছেন, অথচ মামলা হয়েছে মাত্র ১১টিতে। সিলেটে বাউল গানের আসরে হামলা হয়েছে, কিশোরগঞ্জে ‘তৌহিদী জনতা’র হুমকির মধ্যে কনসার্ট বাতিল হয়েছে। এই ঘটনাগুলো আলাদা করে দেখলে হয়তো বিচ্ছিন্ন মনে হতে পারে। পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, ভয় দেখানো নিজেই ধীরে ধীরে এক ধরনের অঘোষিত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা হয়ে উঠছে।
আর সবচেয়ে ভয়ংকর জায়গাটা তৈরি হয় যখন রাষ্ট্র সেই ভয়কে কার্যকর করে দেয়। প্রশাসন যদি বলে, ‘নিরাপত্তার কারণে অনুষ্ঠান বন্ধ’, তখন প্রশ্ন করতেই হয়, নিরাপত্তা কাকে দেওয়া হলো? যিনি আইন মেনে অনুষ্ঠান করতে চেয়েছেন তাকে, নাকি যিনি হুমকি দিয়েছেন তাকে? হুমকিদাতাকে থামাতে না পেরে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া মানে অনেক ক্ষেত্রেই হুমকিটাকে সফল করে দেওয়া। সমাজ তখন খুব সহজ একটি শিক্ষা পায়: যথেষ্ট ভয় দেখাতে পারলে কাজ হয়। মবের সবচেয়ে বড় শক্তি তাই তার সংখ্যায় নয়। তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এই বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত তার কিছু হবে না।
৫ আগস্ট ২০২৪-এর গণভবনের দৃশ্য আমাকে এই কারণেই এখনও ভাবায়। মব সহিংসতা সেদিন জন্ম নেয়নি। আমাদের ইতিহাসে গণপিটুনি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ধর্মীয় সহিংসতা অনেক পুরোনো। কিন্তু গণভবনের লুট একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী বাঁক ছিল। কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতনের ন্যায্য উল্লাসের পাশেই দেখা গেল, রাষ্ট্রীয় সম্পদ নিয়ে যাওয়াটাও যেন বিজয়ের অংশ। টাইমস অব বাংলাদেশ-এ আমার ‘Mob Violence: The Rotten Fruit of Gonobhaban’s Looting’ লেখায় আমি আসলে এই জায়গাটাই বলতে চেয়েছিলাম। সমস্যা কয়েকটা চেয়ার বা জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। বিপদ ছিল একটা নৈতিক সীমারেখা ভেঙে যাওয়া। যথেষ্ট মানুষ একসঙ্গে দাঁড়ালে কি আইন তখন আর প্রযোজ্য থাকে না? সেই সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে গেলে জনতা খুব সহজেই নিজেকে আইন ভাবতে শুরু করে।
বাঁধনের ঘটনার পর তার সরাসরি সম্প্রচারের কিছু অংশ সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা ও বিদ্রূপের বিষয় হয়েছে। তিনি তখন যে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন, সেটাও মাথায় রাখা দরকার। তবে তিনি রুবাইয়াত হোসেনের প্রয়াত বাবার রাজনৈতিক পরিচয় এবং সজীব ওয়াজেদ জয় ভেনিসে থাকার প্রসঙ্গ এনেছেন। আমার কাছে দুটোই ঘটনার মূল প্রশ্নের বাইরে। রুবাইয়াত তার বাবার পরিচয়ে ভেনিসে যাননি, নিজের কাজ দিয়ে সেখানে পৌঁছেছেন। একইভাবে সজীব ওয়াজেদ জয় সেখানে থাকুন বা না থাকুন, বাঁধনের নিরাপত্তার অধিকারের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। এই বক্তব্যগুলো নিয়ে সমালোচনা হতে পারে, কিন্তু কোনো অবস্থাতেই এগুলো রাস্তায় একজন মানুষকে হেনস্তা করার যুক্তি হতে পারে না।
এই ঘটনার আরেকটি ক্ষতি হয়তো বাইরে থেকে বোঝা কঠিন। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পরিসর আসলে খুব বড় নয়। উৎসবের নির্বাচক, প্রযোজক, সমালোচক, অতিথি ব্যবস্থাপনায় থাকা মানুষ এবং নির্মাতারা একে অন্যকে চেনেন, এক উৎসব থেকে আরেক উৎসবে দেখা হয়। বাংলাদেশের নির্মাতাদের কাজও তারা বহু বছর ধরে দেখে আসছেন। রুবাইয়াত তার চতুর্থ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে ভেনিসে পৌঁছেছেন, একটির পর একটি ছবি বানিয়ে নিজের পথ তৈরি করেছেন। বাংলাদেশে স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণের অবকাঠামো দুর্বল, পরিবেশনা সীমিত, মৌলিক স্বাধীন সিনেমার জন্য সরকারি সহায়তা প্রায় নেই বললেই চলে, আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে পৌঁছানোর টেকসই পথও খুব কম। এই বাস্তবতায় ভেনিসে পৌঁছানো শুধু একটি ছবির অর্জন নয়, বাংলাদেশের স্বাধীন সিনেমার জন্যও বড় ঘটনা।
আলোচনাটা তাই হওয়ার কথা ছিল, এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও কীভাবে বাংলাদেশের নতুন সিনেমা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পরিসরে জায়গা করে নিচ্ছে। আমাদের নির্মাতারা কী ধরনের নিজস্ব ভাষা তৈরি করছেন, বাংলাদেশের গল্প কীভাবে পৃথিবীর দর্শকের কাছে যাচ্ছে। অথচ এখন ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’-এর সঙ্গে একই আলোচনায় বাঁধনের হেনস্তার ঘটনাও চলে এসেছে। আমার কাছে এই মনোযোগ সরে যাওয়াটাই একটা বড় ক্ষতি।
এর মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর সংসদে বলেছেন, একজন ‘জুলাই যোদ্ধার’ ওপর হামলা মানে দেশের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার বাঁধনকে কনস্যুলার সহায়তা দিচ্ছে এবং ইতালীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। এই সহায়তা অবশ্যই হওয়া উচিত। কিন্তু এখানেই নীতির প্রশ্ন আসে। বাঁধন ‘জুলাই যোদ্ধা’ বলে যদি রাষ্ট্র তার পাশে দাঁড়ায়, তাহলে ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বিদেশে আক্রান্ত আরেকজন বাংলাদেশির পাশেও রাষ্ট্রকে একইভাবে দাঁড়াতে হবে। নাগরিকের নিরাপত্তা তার রাজনৈতিক পরিচয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে না।
এখানেই আমাদের দ্বিমুখী আচরণটাও খুব স্পষ্ট। মব যখন আমাদের পছন্দের কাউকে আক্রমণ করে, তখন আমরা বলি এটি গণতন্ত্রের ওপর আক্রমণ। কিন্তু একই মব আমাদের অপছন্দের কাউকে আক্রমণ করলে ভাষা বদলে যায়। তখন সেটা হয়ে যায় ‘জনতার ক্ষোভ’, ‘প্রতিবাদ’ কিংবা ‘মানুষের প্রতিক্রিয়া’। কাজটা তো বদলায়নি। শুধু আক্রান্ত ব্যক্তির পরিচয় বদলেছে। এটাকে নীতি বলা যায় না, এটা নির্বাচিত নৈতিকতা। ‘তৌহিদী জনতা’, ‘জুলাই যোদ্ধা’, ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত বা অন্য যেকোনো পরিচয় থাকুক, মব যখন আইন নিজের হাতে তুলে নেয় তখন তার একটাই পরিচয়। সে সংখ্যার শক্তিতে নিজেই বিচারক হতে চাইছে। রাষ্ট্র যদি এই জায়গায় সবার জন্য একই মানদণ্ড তৈরি করতে না পারে, তাহলে আমাদের রাজনৈতিক বিভাজন কমবে না, বরং আরও গভীর হবে।
ভেনিসে বাংলাদেশের আলোচনার বিষয় হওয়ার কথা ছিল ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’। বাংলাদেশের একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ভেনিসের প্রতিযোগিতায় জায়গা পাওয়া ইতিহাস। সেই মুহূর্তে আমাদের কথা হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের সিনেমার সম্ভাবনা নিয়ে, তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে, আর সেই সীমাবদ্ধতা ভেঙে আমাদের নির্মাতারা কোথায় পৌঁছাচ্ছেন তা নিয়ে। বাঁধনের অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত, বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া উচিত, আর দেশে বৈধ সাংস্কৃতিক আয়োজনকে যারা হুমকি দেয় তাদের আইনের মুখোমুখি করা উচিত।
আমরা চাই আমাদের সিনেমা পৃথিবীজুড়ে যাক বাংলাদেশের গল্প, কল্পনা, সংস্কৃতি আর মানুষের সৃজনশীলতার পরিচয় নিয়ে। নিজেদের রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা সঙ্গে নিয়ে নয়।
আমাদের সিনেমা বিশ্বে যাক। আমাদের মব সংস্কৃতি নয়।
লেখক: আবু শাহেদ ইমন, চলচ্চিত্র নির্মাতা


