কমলাপুর ও সিলেটের দুটি স্টেডিয়ামের ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এ জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাফুফে।
স্টেডিয়াম দুটি হলো কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম ও সিলেট জেলা স্টেডিয়াম। অন্য ক্রীড়া ফেডারেশন এসব ভেন্যু ব্যবহারের অনুমোদন এনএসসিই দেবে।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, স্টেডিয়াম দুটি অন্য খেলাধুলার জন্যও উন্মুক্ত থাকবে। তবে তদারকি ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বাফুফে।
এমওইউ সই অনুষ্ঠানে তাবিথ বলেন, ‘আমরা এ ধরনের কাজ করতে চাই। ফিফা, এএফসি ও স্পনসরদের অর্থায়নে কাজটি করব। তবে এনএসসির অনুমতি নিয়েই তা করা হবে।’
ভেন্যু ব্যবহারে বিরোধ এড়াতে নিয়ম স্পষ্ট করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
তাবিথ বলেন, ‘স্টেডিয়ামগুলোর ব্যবহার সব ফেডারেশনের জন্য উন্মুক্ত থাকুক। তদারকি ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা দেখবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।’
এনএসসি কোনো ফেডারেশনকে স্টেডিয়াম ব্যবহারের অনুমতি দিলে বাফুফে তাদের সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘এই স্টেডিয়ামগুলো সব খেলার জন্য, কোনো একটি ফেডারেশনের জন্য নয়।’
দুই স্টেডিয়ামের ব্যবস্থাপনা সফল হলে অন্য ক্রীড়া ফেডারেশনের সঙ্গেও একই ধরনের ব্যবস্থা করা হতে পারে বলে আশা করেন বাফুফে সভাপতি।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও এনএসসি চেয়ারম্যান আমিনুল হক বলেন, দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার নতুন কর্মসূচি শুরু করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা শূন্য থেকে শুরু করেছি।’
স্টেডিয়ামগুলোর পরিবেশ উন্নয়নে এনএসসি নকশা ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছে বলেও জানান তিনি।
ঢাকার প্রধান স্টেডিয়াম থেকে কমলাপুর ও সিলেটের ভেন্যুগুলো এ পরিকল্পনার আওতায় রয়েছে। ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া আয়োজকদের জন্য আরও উপযোগী সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা এর লক্ষ্য।
আমিনুল বলেন, ‘দেশের স্টেডিয়ামগুলোতে ক্রীড়াবান্ধব পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি। খেলোয়াড় ও ক্রীড়া আয়োজকেরা যেন স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।’
সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে হাইব্রিড ঘাস বসানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
আমিনুল বলেন, স্টেডিয়াম উন্নয়নের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে পুরো কর্মসূচি শেষ করতে সময় লাগবে।


