১১ দলীয় ঐক্যের ডাকা ঢাকা-চট্টগ্রাম অভিমুখী লংমার্চকে স্বাগত জানিয়ে ফেনীতে জামায়াতে ইসলামীর মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেনী সদর উপজেলার ধলিয়া ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর স্বাগত মিছিল চলাকালে এ ঘটনা ঘটে বলে তাদের দাবি। তবে কে বা কারা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ফেনী সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নাদেরুজ্জামান ও সেক্রেটারি মুহাম্মাদ শিহাব উদদীন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, শান্তিপূর্ণ স্বাগত মিছিল চলাকালে দুর্বৃত্তদের এ ধরনের হামলা উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার সবার রয়েছে। জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক পরিবেশ অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের প্রতি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া ধলিয়া ইউনিয়নসহ সদর উপজেলার সর্বস্তরের নেতা-কর্মী ও জনগণকে শান্ত থাকার এবং কোনো ধরনের উসকানিতে সাড়া না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত নেতারা।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, ‘সন্ধ্যায় স্বাগত মিছিলে ককটেল ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। এগুলো কারা করছে, আপনারাই ভালো জানেন। এখন মাঠে কারা আছে, তা সবাই জানে। বিষয়টি ইতোমধ্যে পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।’
এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সজল কান্তি দাশ বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিতে বলা হয়েছে। এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।
এদিকে রাত ১২ টার দিকে জেলা জামায়াতের প্রচার বিভাগ অভিযোগ করেছে সন্ধ্যায় যেসব নেতা-কর্মীরা মিছিল করেছিল তাদের ঘর-বাড়ি টার্গেট করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে।


