রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীকে সপরিবারে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া দুই তরুণ সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ’র মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সোমবার দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী এ তথ্য জানান। এদিন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে দুই তরুণের ডোপ টেস্টের এই ফলাফল পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাব টেকনোলজিস্টদের মাধ্যমে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস-এর প্রস্রাব ও রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
এই হত্যাকান্ডে জড়িত অভিযোগে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, এই দুই তরুণ নিয়মিত ইয়াবা সেবন করতো। ঘটনার দিন তারা গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনের সময় গণপতি চক্রবর্তী বাধা দেন। এতে দুই তরুণ প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করে। ছাদে কিছু ঘটনার শব্দ শুনে গণপতির স্ত্রী ও পরে মেয়ে সেখানে গেলে তাদেরকেও হত্যা করা হয়। আর ঘরে ঢুকে হত্যা করা হয় গণপতি চক্রবর্তীর ছেলেকে।


