ঢাকার আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুর ইসলাম (৩০) নামে আরও একজন মারা গেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন হারুনুর রশীদ। তিনি জানান, নুর ইসলামের শ্বাসনালীসহ শরীরে ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি মারা যান।
এদিকে, নুর ইসলামের ভাগিনা মো. মাসুদ জানান, নুর ইসলামের বাড়ি বাগেরহাট জেলায়। তবে থাকতেন ভোলাতে। গ্যাস পরিবহনের গাড়ি চালান তিনি। ঘটনার আগে গ্যাসের গাড়ি নিয়ে ওই কারখানায় গিয়েছিলেন। বিস্ফোরণে তার সারা শরীর পুড়ে গিয়েছিল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
এর আগে, ঘটনার রাতেই ঢাকা মেডিকেলে মারা যান নজরুল ইসলাম (৩০) নামে একজনের। তিনি কারখানটির সামনের রাস্তায় কাঁচামাল বিক্রি করতেন।
চিকিৎসাধীন থাকা গুরুতর আহত কাঁচামাল বিক্রেতা সুজন মিয়াকে (২৫) ঢাকা মেডিকেল থেকে স্বজনরা বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান আইসিইউর জন্য। আর তার বাবা মুখলেস মিয়া (৪৫) ওইদিন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছিলেন।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আশুলিয়া জামগড়া প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানা চত্বরে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পরপরই বহু হতাহতকে স্থানীয় মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। এই ঘটনায় ঢাকা মেডিকেলে দুইজনসহ এখন পর্যন্ত মোট আটজনের মৃত্যু হলো। এ ঘটনায় আহত হন অন্তত ২০ জন।


