দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের গবেষণা বাজেট নিয়ে অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের পর এর প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
শুক্রবার ইউজিসির জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ জামিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
ইউজিসি জানায়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে ২২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। ফলে গবেষণা খাতে কোনো বাজেট রাখা হয়নি বলে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা মোটেও সঠিক নয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গবেষণায় দ্বৈততা পরিহারের লক্ষ্যে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থায়ন পদ্ধতি আরও সহজ, স্বচ্ছ ও গবেষক-বান্ধব করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের একাডেমিক স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বকীয়তা বা গবেষণার অগ্রাধিকার ক্ষুণ্ণ হবে না।
আরও বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের এই গবেষণা বরাদ্দ পাওয়ার লক্ষ্যে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে তাদের গবেষণা পরিকল্পনা, উপ-খাতভিত্তিক অর্থের চাহিদা ও বাজেট প্রাক্কলন দ্রুত কমিশনে পাঠানোর জন্য গত ২ জুলাই পত্র দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছ থেকে চাহিদাপত্র পাওয়ার পরপরই দ্রুততম সময়ে অর্থ ছাড়ের কার্যক্রম সম্পন্ন করবে ইউজিসি।
বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বেশ কিছু বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ইউজিসি। এর মধ্যে রয়েছে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় অধিকতর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা; জ্যেষ্ঠ গবেষকদের পাশাপাশি উদীয়মান গবেষক ও শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি শক্তিশালী গবেষণা ইকোসিস্টেম তৈরি করা এবং দেশের প্রয়োজনীয়তা ও সরকারের অগ্রাধিকারকে বিবেচনায় রেখে গবেষণা প্রকল্প প্রণয়ন করা।


