বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০১ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। ৪০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে প্যাট কামিন্সদের সংগ্রহ ১৬৫ রান। দিনের শেষভাগে টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান ক্যামেরন গ্রিন।
এর আগে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক কামিন্স। দিনের শুরুতে মিচেল স্টার্ক বাংলাদেশের টপ অর্ডার ধসিয়ে দেন। গত বছর জ্যামাইকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যেমন বিধ্বংসী বোলিং করেছিলেন, এদিনও তেমনই আগ্রাসী ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি পেসার।
তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে বাংলাদেশ কেবল ৬৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। তবে সফররত শান্তরা ম্যাচ থেকে এখনো পুরোপুরি ছিটকে যায়নি। বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার পর মনে হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়া বড় লিড নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেবে। তবে শরিফুল ইসলাম দুর্দান্ত এক স্পেলে ম্যাচে বাংলাদেশের আশা ফিরিয়ে আনেন।
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় দিনটি মূলত ছিল পেসারদের দাপটের। দুই দলের দুই ইনিংস মিলিয়ে ম্যাচের প্রথম দিনেই মোট ১৮ উইকেটের পতন হয়েছে।
উইকেট একেবারে ব্যাটিংয়ের অযোগ্য ছিল না, তবে যথেষ্ট বাউন্স ও সাইড মুভমেন্ট ছিল। সেই সামান্য সহায়তাই কাজে লাগিয়ে দুই দলের পেসাররা একের পর এক উইকেট তুলে নেন। এত বেশি উইকেট পড়ায় ম্যাচটি দুই দিনেই শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।
ধারাভাষ্যকারদের মতে, ৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পরও নাজমুল শান্তরা এখনো প্রতিযোগিতায় টিকে আছে, কারণ অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংও বড় ধাক্কা খেয়েছে। ১৫০ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়ে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হন অজিরা। বিপরীতে টাইগার পেসার শরিফুল তার ঝুড়িতে পুরেছেন ৬ উইকেট। এটিই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তার সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড।


