অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্কের দুর্দান্ত বোলিংয়ে গুটিয়ে যায় টাইগারদের ইনিংস।
ম্যাকাইয়ের গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় দ্বিতীয় টেস্টে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। লাঞ্চের বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩৫ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে ৬ উইকেটে ৩৫ রান থেকে ৯ উইকেটে ৩৯ রানে নেমে যায় সফরকারীরা।
বিরতির পর দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন মেহেদী হাসান মিরাজ। প্যাট কামিন্সের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে বিউ ওয়েবস্টারের হাতে ক্যাচ দেন এই অলরাউন্ডার। ৫১ বলে ১১ রান করেন তিনি।
মিরাজের বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৩৬ রান। এর মধ্য দিয়ে সামান্য যে প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, সেটিও ভেঙে যায়। মিরাজ ও হাসান মাহমুদ ৫৫ বলে ১৫ রানের জুটি গড়েছিলেন। মিরাজ আউট হওয়ার পর ক্রিজে আসেন তাইজুল ইসলাম।
হাসান মাহমুদও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। জশ হ্যাজেলউডের বলে নাথান লায়নের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৩৫ বলে ৮ রান করেন হাসান। তার বিদায়ে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ৩৮ রান।
টস জিতে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ইনিংসের শুরু থেকেই চাপে ছিল টাইগাররা। প্রথম সেশনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেন মিচেল স্টার্ক। বাঁহাতি এই পেসার মাত্র ২২ বলের মধ্যে পাঁচ উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ধসে পড়ে।
ইনিংসের প্রথম বলেই শাদমান ইসলামকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দেন এই অস্ট্রেলিয়ান পেসার। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তও দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। এরপর আরও দুই উইকেট নিয়ে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন স্টার্ক। লাঞ্চের সময় তার বোলিং ফিগার ছিল ৯ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৫ উইকেট।
ডারউইনে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ যে প্রতিরোধ দেখিয়েছিল, ম্যাকেইতে তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায়নি। প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয় পেয়েছিল। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।


