নোমান আলীর অফ স্টাম্পের বাইরের বল টেনে মুমিনুল হকের সুইপ। বল স্কয়ার লেগে যেতে যেতে সিংগেলের জন্য নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে প্রান্ত বদল। পূর্ণ হলো এই বাঁহাতি ব্যাটারের ২৭-তম ফিফটি, একইসাথে তৃতীয় বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে টেস্টে ছুঁলেন পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক। মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের বৃষ্টি বিঘ্নিত চতুর্থ দিন মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবালের পর পাঁচ হাজারি ক্লাবে নাম লেখালেন তিনি।
পাঁচ হাজার পর্যন্ত যেতে মুমিনুলকে ব্যাট করতে হয়েছে ১৪১ ইনিংস। মুশফিক এই তালিকায় প্রথম হলেও বাংলাদেশের দ্রুততম পাঁচ হাজার টেস্ট রান করেছেন তামিম। মুশফিক পাঁচ হাজার রান করেছেন ১৪৪ ইনিংসে ব্যাট করে, তামিম ছুঁয়েছেন সেটা ১২৯ ইনিংসে।
টানা পাঁচ ফিফটি ও পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক ছোঁয়ার দিন মুমিনুল অবশ্য ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১২০ বলে ৫৬ রান করে ফিরেছেন শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে। যদিও এই ইনিংসে দুইবার ক্যাচ দিয়েও জীবন পেয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত ১৫ রানে একবার ও ৪৫ রানে দ্বিতীয়বার। তৃতীয়বার ক্যাচ তুললে এরপর আর সুযোগ পাননি মুমিনুল, তার বিদায়ে ভাঙে নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে ১০৫ রানের জুটি। এর আগে প্রথম ইনিংসে দুজন গড়েন ১৭০ রানের রেকর্ড জুটি, যা পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ।
৩৪ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রথম সেশনেই ২৩ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর মুমিনুল-শান্তর জুটিতে বড় লিডের পথে হাঁটে দল। ইনিংসের ৪৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ১৬৫।


