সাতক্ষীরায় ৪ আসনেই বিজয়ী জামায়াত প্রার্থীরা
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জয়ী হয়েছেন জামায়াতের অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ। ১৬৮টি কেন্দ্রের সবকটির ফলে (পোস্টাল ভোটসহ) তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৯৩ হাজার ৭৭২ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ) পেয়েছেন এক লাখ ৬৯ হাজার ৯৯৫ ভোট। অর্থাৎ, ২৩ হাজার ৭৭৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন ইজ্জত উল্লাহ।
এই আসনে গণভোটে দুই লাখ ২৮ হাজার ৪০৪টি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে। ‘না’ ভোট পড়েছে এক লাখ ২১ হাজার ২৫৬। আসনে মোট ভোট পড়েছে ৭৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা) আসনে বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত নেতা মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। ১৮০ কেন্দ্রের মোট ফলে তিনি পেয়েছেন দুই লাখ ৬৬ হাজার ৯৫৯ ভোট। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুর রউফ (ধানের শীষ) পেয়েছেন এক লাখ ৫০ হাজার ২৮৩ ভোট। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
এই আসনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে দুই লাখ ৯২ হাজার ৮২৮, না ভোট-৮৬ হাজার ৬১৯ ভোট। এই আসনে ভোটের হার ৭৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে ধানের শীষকে পেছনে ফেলে মূল লড়াইয়ে উঠে এসেছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল আলম। তবে শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছেন জামায়াতের মুহাদ্দিস রবিউল বাসার। ১৬৫ কেন্দ্রের ফলে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৮৪ হাজার ২৩৩ভোট। শহিদুল আলম (ফুটবল প্রতীক) পেয়েছেন এক লাখ ৫ হাজার ৩৮৯ ভোট।
এই আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৮১৯।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে দুই লাখ ৩২ হাজার ৯২৫ এবং ‘না’ ভোট পড়েছে এক লাখ ৪ হাজার ৮৮৩। ভোটের হার ৭০ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলাম। ৯৬ কেন্দ্রের ফলাফলে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ছয় হাজার ৯১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৬ ভোট। ২১ হাজার ৪৪৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন গাজী নজরুল ইসলাম।
এই আসনে গণভোট হ্যাঁ ভোট পড়েছে এক লাখ ২৯ হাজার ৭৪১ এবং না ভোট পড়েছে ৬০ হাজার ৭৭৯ ভোট। ভোটের হার ৬৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
নোয়াখালীর ৫ আসনে ধানের শীষের জয়, একটিতে এনসিপি
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মাহাবুব উদ্দিন খোকন এক লাখ ২৬ হাজার ৮৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. ছাইফ উল্যাহ পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩৬ ভোট।
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপির জয়নুল আবদিন ফারুক ৮৩ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৫৪ ভোট।
নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু প্রতীকে এক লাখ ৪১ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বোরহান উদ্দিন পেয়েছেন এক লাখ ২৩ হাজার ৯৪১ ভোট।
নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. শাহজাহান দুই লাখ ১৯ হাজার ১৮২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইসহাক খন্দকার পেয়েছেন এক লাখ ৪৮ হাজার ৯৮৯ ভোট।
নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪৭ হাজার ৮০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৪৫৩ ভোট।
নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপির প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ শাপলা কলি প্রতীকে ৯০ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৩৭২ ভোট।
দিনাজপুরের ৫আসনে বিএনপি, একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়
দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের ১২৯টি কেন্দ্রের সবগুলোতে মোট এক লাখ ৭৯ হাজার ৩১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মঞ্জুরুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর মতিউর রহমান পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৪৮১ ভোট।
দিনাজপুর-২ (বোচাগঞ্জ-বিরল) আসনের ১১৬ কেন্দ্রে বিএনপির সাদিক রিয়াজ চৌধুরী এক লাখ ৩৯ হাজার ৬২২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী এ.কে.এম আফজালুল আনাম পেয়েছেন এক লাখ চার হাজার ৮৮৭ ভোট।
দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনের ১৩১ কেন্দ্রের সবকটির ফল গণনায় বিএনপির সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন এক লাখ ৪০ হাজার ৬০৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর মাইনুল আলম পেয়েছেন এক লাখ ৩৬ হাজার ২৩৯ ভোট।
দিনাজপুর-৪ (খানসামা-চিরিরবন্দর) আসনে এক লাখ ৬৬ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আখতারুজ্জামান মিয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আফতাব উদ্দীন মোল্লা পেয়েছেন এক লাখ ২৯ হাজার ৫৬ ভোট।
দিনাজপুর-৫ (ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বা বিএনপি বিদ্রোহী এ.জেড.এম রেজওয়ানুল হক তালা প্রতীক নিয়ে এক লাখ ১৪ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি ও জামায়াত জোটের প্রার্থী আব্দুল আহাদ পেয়েছেন এক লাখ ১০ হাজার ১৯৫ ভোট। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ.কে.এম কামরুজ্জামান পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৫৪৪ ভোট।
দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনের ২০০ কেন্দ্রে দুই লাখ পাঁচ হাজার ১১৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন এক লাখ ৯০ হাজার ৭০৩ ভোট।
ঢাকা-১০ আসনে বিএনপির বিজয়
ঢাকা-১০ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. জসীম উদ্দীন সরকার। তিনি পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।
সিলেটে ৫ আসনে বিএনপির বিজয়, একটিতে জামায়াত জোট
সিলেট-১ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৩৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৩ ভোট।
সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী তাহসীনা রুশদীর লুনা ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুনতাছির আলী পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট।
সিলেট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মালিক পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুসলেহ উদ্দিন রাজু পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৬৭৪ ভোট।
সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৭১ হাজার ৩৯১ ভোট।
সিলেট-৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হাসান পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী উবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৭৪ ভোট।
সিলেট-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৯১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৯ ভোট।
ঢাকা ১২ ও ১৬ আসনে জামায়াতের জয়
ঢাকা-১২ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের মো. সাইফুল আলম। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এই প্রার্থী পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক। তিনি পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।
ঢাকা-১৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের মো. আব্দুল বাতেন। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
সিরাজগঞ্জে ৫টিতে বিএনপি, একটিতে জামায়াত
সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর- সদর আংশিক):
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিম রেজাকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহিনুর আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ):
বিএনপি মনোনীত ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৭ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ):
এই আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আইনুল হককে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী রিকশা প্রতীকের মুহাম্মদ আব্দুর রউফ সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৮০২ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৪ ( উল্লাপাড়া):
এই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম আকবর আলী পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি- চৌহালী):
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিরুল ইসলাম খান আলীমকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আলী আলম পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৮০৫ ভোট।
সিরাজগঞ্জ-৬ ( শাহজাদপুর):
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. এ মুহিতকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১০ দলীয় জোটের এনসিপির এস এম সাইফ মোস্তাফিজ শাপলা প্রতিকে পেয়েছেন ১ লাখ ৩ হাজার ৮২৪ ভোট।
ঢাকার বেশিরভাগ আসনে জয়ী বিএনপি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার বিভিন্ন আসনে বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। অধিকাংশ আসনে বিএনপি প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। তবে কয়েকটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরাও বিজয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-১: খন্দকার আবু আশফাক বিজয়ী
ঢাকা-১ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক ১ লাখ ৭২ হাজার ৪০২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৯১০ ভোট। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ৪৫ হাজার ১৪৫ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৯৯ হাজার ৫২৩টি, বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৬৯৯টি ভোট।
ঢাকা-২: আমানউল্লাহ আমানের জয়
ঢাকা-২ আসনে বিএনপির আমানউল্লাহ আমান ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আব্দুল হক পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৩ ভোট।
ঢাকা-৫: দাঁড়িপাল্লার জয়
ঢাকা-৫ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন ৯৭ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
ধানের শীষের মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৮৪১ ভোট।
ঢাকা-৬: ইশরাক হোসেন এগিয়ে
ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির ইশরাক হোসেন ৭৮ হাজার ১৪১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৪৬৫ ভোট। ব্যবধান ২৩ হাজার ৬৭৬।
ঢাকা-৮: মির্জা আব্বাস বিজয়ী
ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট।
ঢাকা-১৩: ববি হাজ্জাজের জয়
ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ ৯০ হাজার ৬০১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৮৮৯ ভোট। ব্যবধান ৩ হাজার ৭১২।
ঢাকা-১৪: জামায়াতের আরমান বিজয়ী
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আহমদ বিন কাশেম আরমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৯৬ হাজার ৭৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ধানের শীষের সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮০ হাজার ৯২৭ ভোট। ব্যবধান ১৫ হাজার ৮৫৭।
ঢাকা-১৫: জামায়াত আমিরের জয়
ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ৮২ হাজার ৬৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
ধানের শীষের মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬১ হাজার ৯২০ ভোট। ব্যবধান ২০ হাজার ৭২৫।
ঢাকা-১৭: তারেক রহমান জয়ী
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৬০ হাজার ২১৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
জামায়াতের স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ২৪ হাজার ৫২৪ ভোট। ব্যবধান ৩৫ হাজার ৬৯১।
ঢাকা-১৯: সালাউদ্দিন বাবুর জয়
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপি মনোনীত দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-২০: তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত
ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বিএনপির মো. তমিজ উদ্দিন ১ লাখ ৬২ হাজার ৫০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির নাবিলা তাসনিম পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৮৭ ভোট।
সারা দেশে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
শেরপুরে বিএনপি-জামায়াতের আসন ভাগাভাগি
শেরপুর-১ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর রাশেদুল ইসলাম ১,২৭,৮১১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ৭৮,৩৪২ ভোট।
শেরপুর-২ (নকলা ও নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপির মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ১,১৮,৪৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মু. গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১,০৮,৩৩৫ ভোট।
গোপালগঞ্জের তিন আসনেই জয়ী বিএনপি
গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপির প্রার্থীরা।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে ৬৮,৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির সেলিমুজ্জামান মোল্যা। তার প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের (ট্রাক) মো. কাবীর মিয়া পেয়েছেন ৫৩,৯৬১ ভোট। এ ছাড়া জামায়াতের মো. আব্দুল হামিদ ৩৩,৬৭৩ ভোট পেয়েছেন।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির ডা. কেএম বাবর ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (হরিণ) এম এইচ খান মঞ্জু পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির এস এম জিলানী ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া) গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট।
কুমিল্লার ১১ আসনের আটটিতে বিএনপি জয়ী
কুমিল্লার ১১ আসনের মধ্যে আটটিতে বিএনপি, একটিতে জামায়াতে ইসলামী, একটিতে এনসিপি এবং একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৩০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৯ ভোট।
কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া ৭৭ হাজার ৩০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মতিন খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৪৫ ভোট।
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ১ লাখ ৪৩ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেল পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৪০২ ভোট।
কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপি প্রার্থী হাসানাত আবদুল্লাহ ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জসিম উদ্দিন ট্রাক প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট।
কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিন ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৭০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী ড. মোবারক হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৫০১ ভোট।
কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে বিএনপি প্রার্থী এবং দলীয় চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মো. মনিরুল হক চৌধুরী ১ লাখ ৯৯ হাচার ৩১০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৩০ ভোট।
কুমিল্লা-৭ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম ৯১ লাখ ৬৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট রেদোয়ান আহমেদ পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৫০৯ ভোট।
কুমিল্লা-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী জাকারিয়া তাহের ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৭৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী সফিকুল আলম হেলাল পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৯১ ভোট।
কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৬১ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানা ও পাঁচ আসনে বিএনপি জোট জয়ী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই বিএনপি ও দলটির জোটসঙ্গীরা বিজয়ী হয়েছেন। আর একটিতে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির এমএ হান্নান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৬৭ হাজার ৭৮৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন পেয়েছেন ৩৫ হাজার ১২১ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগর উপজেলার ২টি ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রাথী ব্যরিস্টার রুমিন ফারহানা ৭০ হাজার ৯০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট প্রার্থী জমিয়াতে উলামায়ে ইসলামের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৯৩৭ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির মোহাম্মদ আতাউল্লা পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭০৪ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মুশফিকুর রহমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামের আতাউর রহমান সরকার পেয়েছেন ৮২ হাজার ৪৮০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে বিএনপির প্রার্থী এমএ মান্নান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৮৪ হাজার ৭৬১। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হক তাপস পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৯৯৫ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে বিএনপি জোটের গণসংহতি পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী মাথাল প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৪ হাজার ২৩১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মহসিন পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৪ ভোট।
নেত্রকোনায় চার আসনে বিএনপি, একটিতে জামায়াত জয়ী
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটিতে বিএনপির প্রার্থী এবং একটি আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনে বিএনপির ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পেয়েছেন ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭২ ভোট।
নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে বিএনপির মো. আনোয়ারুল হক পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ১৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৩৪৭ ভোট।
নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনে বিএনপির রফিকুল ইসলাম হিলালী পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৩১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন ভূইয়া পেয়েছেন ৬৮ হাজার ১৩৭ ভোট।
নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসনে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. লুৎফুজ্জামান বাবর পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আল-হেলাল তালুকদার পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৩৪৩ ভোট।
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুম মোস্তফা ৮২ হাজার ১৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবু তাহের তালুকদার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৪১২ ভোট।
টাঙ্গাইলে সাত আসনে বিএনপি, একটিতে স্বতন্ত্র জয়ী
টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহেল কাফি পেয়েছেন ৯২ হাজার ৭৮১ ভোট।
টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু ১ লাখ ৯২ হাজার ৭৬৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হুমায়ুন কবির পেয়েছেন ৫১ হাজার ৩৩২ ভোট।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ((বিএনপির বিদ্রোহী) মো. লুৎফর রহমান খান আজাদ ১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এস এম ওবায়দুল হক নাসির পেয়েছেন ৮১ হাজার ৭৩৪ ভোট।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিন ৯১ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৭৪ ভোট।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাহউদ্দিন ১ লাখ ৩১ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আহসান হাবিব মাসুদ পেয়েছেন ৮০ হাজার ২৮৩ ভোট।
টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. রবিউল আওয়াল ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কে এম আব্দুল হামিদ পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৬৪৩ ভোট।
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ১ লাখ ৪১ হাজার ২৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ ইবনে আবুল হোসেন পেয়েছেন ৭১ হাজার ৪০ ভোট।
টাঙ্গাইল-৮ (সখিপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান ১ লাখ ১৩ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আলমগীর রাসেল পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৬৮ ভোট।
সাতক্ষীরার চার আসনেই জামায়াতের বিজয়
সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে জামায়াতের ইজ্জত উল্লাহ পেয়েছেন ২ লাখ ৭ হাজার ৫৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৮ ভোট।
সাতক্ষীরা-২ (দেবহাটা-সাতক্ষীরা সদর) আসনে জামায়াতের মুহাদ্দিস আবদুল খালেক পেয়েছেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৪২৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের আব্দুর রউফ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯১ ভোট।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাদ্দিস রবিউল বাশার পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৮৩৪ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীন পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৩৪ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গাজী নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের ড. মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট।
চাঁদপুরের চারটিতে বিএনপি, একটিতে স্বতন্ত্র বিজয়ী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটি আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। শুধুমাত্র চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) প্রার্থী এম এ হান্নান।
চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ১৬২ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ পেয়েছেন ৬৭ হাজার ৭৭ ভোট।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ) আসনে বিএনপির মো. জালাল উদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৫০৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোট ও এলডিপির প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৭৩ ভোট।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে বিএনপির শেখ ফরিদ আহমেদ পেয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪০৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬৫ ভোট।
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (চিংড়ি মাছ) এম এ হান্নান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৪ হাাজার ১৭৫ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট।
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে ১ লাখ ৮০ হাজার ৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. মমিনুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের এলডিবির প্রার্থী মো. নেয়ামুল বশির পেয়েছেন ৭১ হাজার ৮৫০ ভোট।
কুষ্টিয়ায় তিন আসনে জামায়াত, একটিতে বিএনপি জয়ী
কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনে তিনটিতে জামায়াত ও একটিতে বিএনপি বিজয়ী হয়েছে।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজা আহমেদ ওরফে বাচ্চু মোল্লা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের বেলাল উদ্দিন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৫ ভোট।
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল গফুর ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮২ ভোট।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত প্রার্থী ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯০৯ ভোট।
কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে জামায়াতের প্রার্থী আফজাল হোসেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৬ ভোট।
ময়মনসিংহের ১১ আসনের আটটিতেই জয়ী বিএনপি
ময়মনসিংহের ১১ আসনের মধ্যে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি আটটি, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী একটি, খেলাফত মজলিস একটি ও একটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল ১ লাখ ৭ হাজার ২৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩৬ ভোট।
ময়মনসিংহ-২ (তারাকান্দা-ফুলপুর) আসনে ১৭৪ কেন্দ্রের ফলাফলে খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদুল্লাহ রিকশা প্রতীকে ৮০ হাজার ৭৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোতাহার হোসেন তালুকদার ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৫২২ ভোট।
ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন ধানের শীষ প্রতীকে ৭৭ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরণ ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৫৩৬ ভোট।
ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনে বিএনপির আবু ওয়াহাব আকন্দ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ কামরুল আহসান এমরুল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ ভোট।
ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বিএনপির জাকির হোসেন বাবলু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মো. মতিউর রহমান আকন্দ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৯৬৬ ভোট।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে জামায়াতের মুহাম্মদ কামরুল হাসান মিলন ৭৫ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতার সুলতানা পেয়েছেন ৫২ হাজার ৬৬৯ ভোট। জামায়াতে বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিন ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৫১ হাজার ২৩৪ ভোট এবং বিএনপির মো. আখতারুল পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৯৪ ভোট।
ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে বিএনপির ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন ৯৮ হাজার ৫৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মো. আছাদুজ্জামান সোহেল পেয়েছেন ৮২ হাজার ৯৬২ ভোট।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের ৯২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮১টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রকৌলী লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু ৯৫ হাজার ৬১৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন। নিকটতম এলডিপির মো. আওরঙ্গজেব বেলাল ভোট পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৮৭টি।
ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপির ইয়াসের খান চৌধুরী ৮৪ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম ডেভেলপমেন্ট পার্টির একেএম আনোয়ারুল ইসলাম ফুলকপি প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৮৯৮ ভোট।
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু ৭৪ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান ৬৬ হাজার ৪২৪ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামীর মো. ইসমাইল হোসেন সোহেল পেয়েছেন ৬৪ হাজার ১৬৯ ভোট।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির ফখরউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ১ লাখ ১০ হাজার ২১৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলম পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৫৯১ ভোট এবং এনসিপির জাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৬ হাজার ৬৭৫ ভোট।
জামালপুরের পাঁচ আসনেই জয়ী বিএনপি
জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনেই বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে বিএনপি পেয়েছে ১,৭২,১২৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত পেয়েছে ৯৩,৬৬১ ভোট।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে বিএনপি পেয়েছে ৯৫,৬৭৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত পেয়েছে ৬১,৬৫৫ ভোট।
জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে বিএনপি পেয়েছে ২,o৬,২১৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত পেয়েছে ৭৯,৬০৭ ভোট।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে বিএনপি পেয়েছে ১,৪৬,৫৪৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত পেয়েছে ৪৪,১৬১ ভোট।
জামালপুর-৫ (সদর) আসনে বিএনপি পেয়েছে ১,৯৮,৯৭৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত পেয়েছে ১,০৯,২৯৮ ভোট।
তিন পার্বত্য জেলা বিএনপির দখলে
তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান আসনে বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন রাঙামাটি আসনে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। তিনি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া খাগড়াছড়িতে বিএনপির ওয়াদুদ ভূঁইয়া ১ লাখ ৪৮ হাজার ২১২ এবং বান্দরবানে সাচিং প্রু জেরী ৮০ হাজার ৬৯৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
লালমনিরহাটের তিন আসনেই জয়ী বিএনপি
লালমনিরহাটের তিনটি সংসদীয় আসনেই বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এই ফলাফল নিশ্চিত করা হয়েছে।
লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আনোয়ারুল ইসলাম রাজু পেয়েছেন ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৭২ ভোট।
লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট ফিরোজ হায়দার লাভলু পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ২৫২ ভোট।
লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী আসাদুল হাবীব দুলু ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আবু তাহের পেয়েছেন ৫৬,২৪৪ ভোট।
ভোলার সব আসনেই বিএনপি ও জোট প্রার্থীরা জয়ী
ভোলা-১ (সদর) আসনে বিএনপি জোট ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ এক লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৭৭৩ ভোট।
ভোলা-২ (দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন) বিএনপির মো. হাফিজ ইব্রাহিম ১,২১,০০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা ফজলুল করিম পেয়েছেন ৯৩,৪৯৮ ভোট ।
ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজুমদ্দিন) আসনে বেসরকারিভাবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)। তিনি এক লাখ ৫১ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়েছেন। এ নিয়ে মেজর হাফিজ সপ্তমবারের মতো ভোলা-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী মুহাম্মদ নিজামুল হক নাঈম ফুলকপি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৬০ ভোট।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন ও মনপুরা) আসনে বিএনপির প্রার্থী নুরুল ইসলাম নয়ন ১,৯০,০০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ১,০৮,০০৭ ভোট ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে জয়ী জোনায়েদ সাকি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপি জোট ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী জোনায়েদ সাকি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মাথাল প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৯৪,২৩১টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. মহসিন পেয়েছেন ৩৭,৯৬৫ ভোট।
নীলফামারীর চার আসনেই জয়ী জামায়াত
নীলফামারী-১
বিজয়ী: আব্দুস সাত্তার (দাঁড়িপাল্লা)
প্রাপ্ত ভোট: ১,৪৯,২১৪
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী: মঞ্জুরুল ইলসাম আফেন্দী (খেজুর গাছ)
প্রাপ্ত ভোট: ১,১৮,১৬০
নীলফামারী-২
বিজয়ী: আল ফারুক আব্দুল লতিফ (দাঁড়িপাল্লা)
প্রাপ্ত ভোট: ১,৪৫,২০২
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী: শাহারিন ইসলাম তুহিন (ধানের শীষ)
প্রাপ্ত ভোট: ১,৩৪,৫৭৯
নীলফামারী-৩
বিজয়ী: ওবায়দুল্লাহ সালাফি (দাঁড়িপাল্লা)
প্রাপ্ত ভোট:১,০৮,৫৬০
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী: সৈয়দ আলী (ধানের শীষ)
প্রাপ্ত ভোট: ৮৯,১০২
নীলফামারী-৪
বিজয়ী: হাফেজ আব্দুল মুত্তাকিম (দাঁড়িপাল্লা)
প্রাপ্ত ভোট: ১,২৪,৮৬৫
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী: আব্দুল গফুর সরকার (ধানের শীষ)
প্রাপ্ত ভোট: ৮১,৫২৬
১ লাখ ১৯ হাজার ৮২৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী বিএনপির বাবর
নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খলিয়াজুড়ি) সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি ১ লাখ ১৯ হাজার ৮২৪ ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১,৫৯,১৬৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক আল-হেলাল তালুকদার ৩৯,৩৪৩ ভোট পেয়েছেন।
এ আসনে ভোটের লড়াইয়ে ছিলেন সিপিবির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদারসহ মোট পাঁচজন প্রার্থী।
ভোলা-৩ আসনে বিএনপির হাফিজ উদ্দিন জয়ী
ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজুমদ্দিন) আসনে বেসরকারিভাবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম)। তিনি এক লাখ ৫১ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়েছেন। এ নিয়ে মেজর হাফিজ সপ্তমবারের মতো ভোলা-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী মুহাম্মদ নিজামুল হক নাঈম ফুলকপি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৬০ ভোট।
রাঙামাটি আসনে বিপুলভোটে জয়ী বিএনপি
রাঙামাটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৮৪০ ভোট। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকে পহেল চাকমা পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৯২ ভোট। এ ছাড়া রিকশা প্রতীকে মুহাম্মদ আবু বক্কর সিদ্দিক ২১ হাজার ৫১৫ ভোট, হাতপাখা প্রতীকের জসিম উদ্দীন পেয়েছেন ৩ হাজার ২৬৫ ভোট। লাঙ্গল প্রতীকের অশোক তালুকদার ২ হাজার ৮৭৩ ভোট, কোদাল প্রতীকে জুঁই চাকমা ১ হাজার ৩৮ ভোট ও ট্রাক প্রতীকে মো. আবুল বাশার (বাদশা) ৪৬৮টি ভোট পেয়েছেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে জয়ী মির্জা ফখরুল
ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি পেয়েছেন ২,৩৬,৩০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দেলাওয়ার পেয়েছেন ১,৩৮,৯৩৯ ভোট। ৯৬ হাজার ১৯৬ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন মির্জা ফখরুল।
রংপুর-৫ আসনে জামায়াত জয়ী
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট।
মেহেরপুর-১ আসনে জয়ী জামায়াত
মেহেরপুর-১ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী তাজউদ্দিন খান। তিনি পেয়েছেন ১,২১,১৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১,০৪,৭৬৯ ভোট।
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জয়ী জামায়াত
চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। তিনি পেয়েছেন ২,১১,১৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শরীফুজ্জামান শরীফ পেয়েছেন ১,৫১,৪৪৮ ভোট।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জয়ী জামায়াত
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াত প্রার্থী জি এম নজরুল ইসলামকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬২ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৪২৪ ভোট।
কিশোরগঞ্জের ছয়টি আসনের পাঁচটিতে জয়ী বিএনপি
কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে ধানের শীষ প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া ও কটিয়াদি) আসনে ধানের শীষের অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দীন, কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তারাইল) আসনে ধানের শীষের ড. ওসমান ফারুক, কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম) আসনে ধানের শীষের অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ও কিশোরগঞ্জ-৬ (কুলিয়ারচর ও ভৈরব) আসনে ধানের শীষ প্রার্থী শরিফুল আলম বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
টাঙ্গাইল-৭ আসনে জয়ী বিএনপি
টাঙ্গাইল-৭ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তিনি পেয়েছেন ১,৪১,৩১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন পেয়েছেন ৭০,২৬৭ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৭১,০৫১।
জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপির আব্দুল বারী জয়ী
জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল বারী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৭ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এসএম রাশেদুল আলম পেয়েছেন ৯১ হাজার ১০৩ ভোট।
রংপুর-১ আসনে জয়ী জামায়াতের রায়হান সিরাজী
রংপুর-১ আসনের সব ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ১,৪৫,০৮৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের রায়হান সিরাজী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মুকাররম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯,৪০৭ ভোট।
রাঙামাটিতে জয়ের পথে বিএনপির দীপেন দেওয়ান
রাঙামাটি আসনে ২১৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৯৬ কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ১০৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী স্বতন্ত্র প্রার্থী বাবু পহেল চাকমা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ২৭ হাজার ৮২৪ ভোট।
লালমনিরহাট-৩ আসনে জয়ী বিএনপির দুলু
লালমনিরহাট-৩ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪০ হাজার ১০৫ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ৫৫ হাজার ৩৮৭ জন।
নাটোরের চারটি আসনে এগিয়ে বিএনপি
নাটোর-১ আসনের ৬৩টি কেন্দ্রের ফলাফল
ধানের শীষের ফারজানা শারমিন পুতুল পেয়েছেন ৫২,৩৭৯ ভোট। দাঁড়িপাল্লার আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৪৬,৩১০ ভোট। এ ছাড়া কলস প্রতীক পেয়েছে ৩৮,৫২৬ ভোট।
নাটোর-২ আসনের ৪৫টি কেন্দ্রের ফলাফল
ধানের শীষ (রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু): ৪১,৬৫৩ ভোট
দাঁড়িপাল্লা (ইউনুস আলী):৩৮,১৪৭ ভোট
নাটোর-৩ আসনের ৪৪টি কেন্দ্রের ফলাফল
ধানের শীষ: ৪০১৩৬ ভোট
ঘোড়া: ২৫৩২১ ভোট
নাটোর-৪ আসনের ৫৮টি কেন্দ্রের ফলাফল
ধানের শীষ: ৬৭,২৮৪ ভোট
দাঁড়িপাল্লা: ৪৫,০৫১ ভোট
ঢাকা-১৩ আসনে ববি হাজ্জাজ ও মামুনুল হকের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ এবং ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য সমর্থিত মাওলানা মামুনুল হকের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এ আসনে ১৩৮ কেন্দ্রে মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫৮ কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৭৬৪ ভোট। অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৩৩ ভোট। দুজনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৩৩১।
রংপুর-৪ আসনে এগিয়ে এনসিপির আখতার
রংপুর-৪ আসনে ১৩৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে এনসিপির আখতার হোসেন। তিনি পেয়েছেন ১,১৩,০৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল ভরসা পেয়েছেন ৯৪,৭৯৩ ভোট। এ ছাড়া লাঙ্গল প্রার্থী পেয়েছেন ২৫,৭২৯ ভোট।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা ফখরুল এগিয়ে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি পেয়েছেন ৩৯ হাজার ১০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন ২৫ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী খাদিমুল ইসলাম পেয়েছেন ৭০৫ ভোট।
রংপুর -৩ আসনে এগিয়ে জামায়াত
রংপুর-৩ আসনে ১৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াত এগিয়ে রয়েছে। দলটি পেয়েছে ৭৪,৭১০ ভোট। নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি পেয়েছে ৩৬,২৯৮ ভোট। এ ছাড়া লাঙ্গল পেয়েছে ১৭,৩৫০ ভোট।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এগিয়ে রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা এগিয়ে আছেন। ১২টি কেন্দ্রের ফলাফলে রুমিন ফারহানা ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৬৪৮টি। তার নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৪৫ ভোট।
কুষ্টিয়ার তিনটি আসনে জামায়াত, একটিতে এগিয়ে বিএনপি
কুষ্টিয়ার চারটি আসনের মধ্যে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে তিনটিতে জামায়াতে ইসলামী এবং একটি আসনে ধানের শীষের প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন।
এর মধ্যে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে মোট ১৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৯১টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সাবেক এমপি রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা ১ লাখ ২২ হাজার ৬০৫ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. বেলাল উদ্দিন ৬১ হাজার ২৮৮ ভোট পেয়েছেন।
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর ভেড়ামারা) আসনে ১৭০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৬টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল গফুর ৮৬ হাজার ৬০৭ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৩৪৫ ভোট।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আলোচিত প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মুফতি আমির হামজা এগিয়ে রয়েছেন। এ আসনে ১৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে ৬১টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে আমির হামজা ৭৯ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন সরকার ৫৩ হাজার ৮৭১ ভোট পেয়েছেন।
চট্টগ্রাম-২ আসনে এগিয়ে বিএনপি
চট্টগ্রাম-২ আসনে ১৪০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৪টি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছে বিএনপি। বিএনপি পেয়েছে ৫৩,৪৯৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত পেয়েছে ২০,১১৯ ভোট।
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী জামায়াত
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৭৮,৯৪৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী পেয়েছেন ৫৭,৯৪৫ ভোট।
পটুয়াখালী-৩ আসনে এগিয়ে গণঅধিকার পরিষদ
পটুয়াখালী-৩ আসনে ১২৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫টি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। দলটি পেয়েছে ২০,৪৯৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র (ঘোড়া) পেয়েছে ১৫,২৬৫ ভোট।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে এগিয়ে বিএনপি
গোপালগঞ্জ-১ আসনে ১৩৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ছয়টি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছে বিএনপি। বিএনপি পেয়েছে ২,২৭৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত পেয়েছে ১,০৯৪ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র (ফুটবল) পেয়েছে ৮৩৭ ভোট।
মেহেরপুরে-১ আসনে এগিয়ে জামায়াত প্রার্থী
মেহেরপুর-১ আসনের ২১টি কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী তাজউদ্দিন খান। তিনি পেয়েছেন ২৯ হাজার ৭৬৩ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১৫ হাজার ৯৪৭ ভোট। বেসরকারিভাবে ফলাফলে এ তথ্য জানা গেছে। এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ১৬ হাজার ৯৭৫ জন। কেন্দ্র সংখ্যা ১২৩টি।
নিজ কেন্দ্রে হারলেন জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামী আমির শফিকুর রহমান তার নিজ নির্বাচনী কেন্দ্রে হেরেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুরের মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের বালক শাখার কেন্দ্রে ভোট দেন তিনি। ওই কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৫৬০ ভোট পান শফিকুর রহমান।
অন্যদিকে, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫৬৫ ভোট। এ কেন্দ্রে মোট ভোট পড়েছে ১ হাজার ১৭৪। বাতিল হয়েছে ২৭ ভোট।
শেরপুর-১ ও শেরপুর-২ আসনে এগিয়ে জামায়াত
শেরপুর জেলার দুটি আসনের আংশিক নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এখনো সব কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষ হয়নি, তাই চূড়ান্ত ফলাফলে পরিবর্তন আসতে পারে।
শেরপুর-১ (সদর) আসন
মোট ১৪৫ কেন্দ্রের মধ্যে ৬১টির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা পেয়েছেন ২৮ হাজার ৭৭ ভোট। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬০০ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ (মোটরসাইকেল প্রতীক) পেয়েছেন ২২ হাজার ৯৮৬ ভোট।
শেরপুর-২ (নকলা–নালিতাবাড়ী) আসন
মোট ১৫৪ কেন্দ্রের মধ্যে ৬৭টির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরী পেয়েছেন ৫২ হাজার ৭১৯ ভোট। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মু. গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৪০ ভোট।
টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিপুল ভোটে এগিয়ে বিএনপি
টাঙ্গাইল-৫ আসনে ১৩০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৭২টি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছে বিএনপি। বিএনপি পেয়েছে ৬৭,৭১৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত পেয়েছে ৩৭,৪০১ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র (হরিণ) পেয়েছে ৩৪,০৮৫ ভোট।
পঞ্চগড়-১ আসনে অল্প ভোটে পিছিয়ে সারজিস
পঞ্চগড়-১ আসনে ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে পাঁচটি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছে বিএনপি। ধানের শীষের নওশাদ জমির পেয়েছেন ৪,০২০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির সারজিস আলম পেয়েছেন ৩,৯৩৯ ভোট।
নওগাঁ-৪ আসনে বিপুল ভোটে এগিয়ে বিএনপি
নওগাঁ-৪ আসনে ১১৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৯টি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছে ধানের শীষ। ধানের শীষ পেয়েছে ৪৭,১৮৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ২,৯৫২ ভোট। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২২৩৭ ভোট।
ঝিনাইদহ-১ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি
ঝিনাইদহ-১ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান।
ধানের শীষের প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১,৭১,৫৯৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ৫৫,৫৭৭ ভোট।
ঢাকা-১৯ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ঢাকা-১৯ আসনে ২৭৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৮টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে। তবে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির ভোটের ব্যবধান খুব সামান্য। বিএনপি পেয়েছে ১৪,৫৮৮ ভোট এবং এনসিপি পেয়েছে ১৩, ২৮৩ ভোট।
বান্দরবানে বিপুল ভোটে এগিয়ে বিএনপি
বান্দরবান আসনে ১৮৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৯টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি এগিয়ে রয়েছে। দলটি পেয়েছে ৩০,০০৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপি পেয়েছে ৬,৪২৪ ভোট।
জয়পুরহাট-১ আসনে এগিয়ে জামায়াত
জয়পুরহাট-১ আসনে ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রের ফলাফলে জামায়াতে ইসলামী এগিয়ে রয়েছে। জামায়াত পেয়েছে ৩৮০৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি পেয়েছে ২৯৬৩ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীক পেয়েছে ২৭৬ ভোট।
কিছুক্ষণের মধ্যে ঢাকার ৫টি আসনের ফলাফল ঘোষণা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার পাঁচটি আসনের ভোটের ফলাফল কিছুক্ষণের মধ্যে ঘোষণা করা হবে জানিয়েছেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার রেজাউল করিম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঢাকা জেলা প্রশাসক জানান, ঢাকার পাঁচটি আসনের ফলাফল কেন্দ্র থেকে আমাদের কাছে আসার পরেই আমরা ঘোষণা করতে পারব। তবে এখনো আসা শুরু করেনি। আশা করছি, আধা ঘন্টার মধ্যে আসা শুরু করবে।এমনিতে ফলাফল ঘোষণার জন্য আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।
ঢাকা জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১ আসনে ছয়জন, ঢাকা-২ আসনে তিনজন, ঢাকা-৩ আসনে নয়জন, ঢাকা-১৯ আসনে আটজন এবং ঢাকা-২০ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।
তবে মনোনয়ন বৈধ হলেও তিন আসনে চার প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে ঢাকা-১ আসনে খেলাফত মজলিসের ফরহাদ হোসেন, ঢাকা-১৯ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আফজাল হোসাইন ও খেলাফত মজলিসের এ কে এম এনামুল হক এবং ঢাকা-২০ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুর রউফ।
ঢাকা-১ আসনে বিএনপির খন্দকার আবু আশফাক, জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির শেখ মোহাম্মদ আলী, ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী নূরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র অন্তরা সেলিম হুদা প্রতিদ্বন্দ্বী করেছেন।
ঢাকা-২ আসন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান, ইসলামী আন্দোলনের জহিরুল ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল হক নির্বাচনে লড়বেন।
ঢাকা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. শাহীনুর ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের মো. সাজ্জাদ, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ জাফর, গণসংহতি আন্দোলনের মো. বাচ্চু ভূইয়া, ইসলামি আন্দোলনের মো. সুলতান আহমদ খান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের মজিবুর হাওলাদার, গণফোরামের মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী ও জাতীয় পার্টির মো. ফারুক নির্বাচনে লড়াই করেছেন।
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, জাতীয় পার্টির মো. বাহাদুর ইসলাম, এনসিপির দিলশানা পারুল, গণঅধিকারের শেখ শওকত হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ইসরাফিল ইসলাম সাভারী, ইসলামী আন্দোলনের মো. ফারুখ খান, এনডিপির চৌধুরী হাসান সোরোয়ার্দী ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. কামরুল প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন।
এ ছাড়া ঢাকা-২০ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন, জাতীয় পার্টির আহসান খান, এনসিপির নাবিলা তাসনিম, খেলাফত মজলিশের আশরাফ আলী, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আরজু মিয়া ও এবি পার্টির হেলাল উদ্দিন আহাম্মদ নির্বাচনে লড়েছেন।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন এগিয়ে
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ১৪০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রের ফলাফলে ইসলামী আন্দোলন এগিয়ে আছে। দলটি পেয়েছে ১০৪০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ৮৮৬ ভোট। এ ছাড়া বিএনপি পেয়েছে ৬৭২ ভোট।
ঢাকা-৬ আসনে এগিয়ে বিএনপি
ঢাকা-৬ আসনে ১০০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে একটি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপি এগিয়ে আছে। এই কেন্দ্রে ধানের শীষ পেয়েছে ৮৩২টি ভোট। জামায়াত পেয়েছে ৬১৪ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন পেয়েছে ৩০টি ভোট।
মৌলভীবাজার-৬ আসনে এগিয়ে ধানের শীষ
মৌলভীবাজার-৬ আসনে ১৬৩ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ছয়টি কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে আছে ধানের শীষ। ধানের শীষ পেয়েছে ৫৭৯৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ২০৫১ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র ফুটবল পেয়েছে ৩২৯ ভোট।


