পাট কেনার জন্য ঋণ নিয়ে তা না কিনে ৯২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় খুলনায় ব্যবসায়ীসহ সোনালী ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তাকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
একই সঙ্গে প্রত্যেককে আত্মসাৎ করা অর্থের সমপরিমাণ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বুধবার খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আদিব আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছেন।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর আরজিনা সুলতানা সাথী জানান, সাজাপ্রাপ্তরা হলেন পাট ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন ট্রেডার্সের মালিক সঞ্জীব কুমার দাস, সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর করপোরেট শাখার গোডাউন কিপার মতিয়ার রহমান, ওই শাখার এজিএম নজরুল ইসলাম ও মানিক চন্দ্র মণ্ডল, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. রুহুল আমিন ও সিরাজুল ইসলাম এবং কর্মকর্তা অজিত কুমার সরকার। তাদের মধ্যে সঞ্জীব কুমার দাস ও মানিক চন্দ্র মণ্ডল পলাতক।
মামলার এজাহার ও দুদকের আইনজীবীর তথ্য অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংকের দৌলতপুর করপোরেট শাখা থেকে পাট কেনার জন্য ঋণ নেন ইস্টার্ন ট্রেডার্সের মালিক সঞ্জীব কুমার দাস। তবে ঋণের অর্থ দিয়ে পাট না কিনে তা আত্মসাৎ করা হয়। এ ঘটনায় ২০১৯ সালে দুদক বাদী হয়ে ব্যবসায়ীসহ ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করে।
মামলায় মোট ৯২ কোটি ৬৩ লাখ ৩১ হাজার ৭৫২ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বুধবার আদালত সাত আসামিকেই দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও সমপরিমাণ অর্থদণ্ডের রায় দেন।


