শেখ হাসিনাসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে, সে বিষয়ে দেশটির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে বাংলাদেশ।
একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কাজ পরিচালনা করতে না পারে, সে বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছে ঢাকা।
সোমবার বিকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নবনিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও জোরদার এবং এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনাকালে আগামী ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বক্তব্য রাখতে পারেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া খবরটি উঠে আসে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাইকমিশনারকে জানান, ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে এ ধরনের কার্যক্রম চালানো হলে তা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক অগ্রগতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
জবাবে ভারতের হাইকমিশনার বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর রাখা ও সচেষ্ট থাকার আশ্বাস প্রদান করেন।
বৈঠক শেষে উভয় পক্ষই নিয়মিত সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থা অর্জন এবং সব বিষয়ের দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


