দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৫৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ সময় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৯২ জন। একই সময়ে এই উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২ জন।
মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৭৩৮ জন। এ পর্যন্ত হাম রোগে মোট সন্দেহজনক মৃত্যুর সংখ্যা ৯৬৪ জন এবং নিশ্চিত হামে মৃত্যুর সংখ্যা ১০১ জন।
হাসপাতাল সংক্রান্ত তথ্যে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে অদ্যাবধি মোট ১ লাখ ৬০ হাজার ৯৮০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৫১০ জন ছাড়পত্র পেয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় সর্বাধিক ৪৬৭ জন এবং চট্টগ্রামে ২৫০ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া খুলনায় ১২৩ জন, বরিশালে ১৩২ জন, সিলেটে ১৬৮ জন, ময়মনসিংহে ৭৬ জন, রাজশাহীতে ২৬ জন এবং রংপুরে ১৫ জন রোগী শনাক্ত হয়। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজনের মধ্যে একজন ঢাকা ও একজন খুলনা বিভাগের।
বিভাগীয় মৃত্যুর পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে (সন্দেহজনক ৪৩৩ জন, নিশ্চিত ৬৪ জন) এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সিলেটে (সন্দেহজনক ১৬৯ জন, নিশ্চিত ৩ জন)।
অন্যদিকে জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি ২০২৬-এর হালনাগাদ তথ্যে জানানো হয়, দেশে মোট টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জনের বিপরীতে ১ কোটি ৯৮ লাখ ৪১ হাজার ৫৭৭ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ১১০ দশমিক ১ শতাংশ।
দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন এলাকাতেও টিকাদান কর্মসূচির কাভারেজ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ১৯ লাখ ৫ হাজার ৯৫০ জনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২০ লাখ ৮১ হাজার ৬০২ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে, যার অর্জিত কাভারেজ ১০৯ দশমিক ২ শতাংশ।


