ব্যক্তি পর্যায়ে স্বর্ণ বিক্রির ওপর মূলধনী মুনাফা কর প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে জাতীয় সংসদ।
একই সঙ্গে অর্থ আইনের মাধ্যমে স্বর্ণ, রৌপ্য, প্লাটিনাম ও হীরার অলংকারের জন্য ওজনভিত্তিক নতুন মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
সোমবার জাতীয় সংসদ সংশোধনীসহ অর্থ বিল পাস করে। এতে গহনা খাতের কর প্রস্তাবের বিষয়ে শিল্পসংশ্লিষ্টদের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়।
বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক করদাতা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া স্বর্ণের মালিকানার তথ্য আয়কর রিটার্নে উল্লেখ করলেও এর মূল্য ‘অজ্ঞাত’ হিসেবে দেখান। এ ধরনের স্বর্ণ নগদায়নের ক্ষেত্রে কর কাঠামো সুশৃঙ্খল করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড মূলধনী মুনাফা করের প্রস্তাব দিয়েছিল।
অর্থ আইনে গহনার মূল্যভিত্তিক ভ্যাট নির্ধারণের পরিবর্তে মূল্যবান ধাতু ও রত্নের ধরন এবং পরিমাণভিত্তিক নির্দিষ্ট ভ্যাট কাঠামো চালু করা হয়েছে।
এতে স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকারে প্রতি ভরিতে ২ হাজার ৫০০ টাকা, রৌপ্য ও রৌপ্যালংকারে প্রতি ভরিতে ১০০ টাকা, প্লাটিনাম ও প্লাটিনাম অলংকারে প্রতি ভরিতে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং হীরা ও হীরার অলংকারে প্রতি গ্রামে ২ হাজার ৫০০ টাকা ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া স্বর্ণ, রৌপ্য, প্লাটিনাম ও হীরা ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রেতা পর্যায়ে ক্রয়মূল্যের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ উৎসে কর আরোপ করা হয়েছে।


