নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে ১৪ যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজের চার দিন পর হেলাল উদ্দিনের (৫৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ওই ঘটনায় নিখোঁজ একই পরিবারের চারজনের সবার মরদেহ উদ্ধার হলো।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই রায়েশা বেগম (৫৫) নামে আরও এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অর্থাৎ এ নিয়ে এই দুর্ঘটনায় মোট ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
সোমবার দুপুরে উপজেলার মারিখালি নদীর রতনটুর সেতুর নিচ থেকে ফায়ার সার্ভিস হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি শনাক্ত করেন।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুপুরে সোনারগাঁ পল্লীবিদ্যুৎ অফিসসংলগ্ন মারিখালি নদী থেকে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেছেন।
এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির পর হেলাল উদ্দিনসহ একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ হন। ২৬ সেপ্টেম্বর ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত হেলালের ছেলে সজিব (২৪), সামিনের (৫) ও মেয়ে সামিনার (১৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৪ সেপ্টেম্বর বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া এলাকার এক দম্পতির বিয়েতে অংশ নিতে কুমিল্লার হোমনা থেকে স্বজনরা একটি ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের হাড়িয়া এলাকায় আসছিলেন। মেঘনা নদী পার হওয়ার সময় বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ট্রলারটি ডুবে গেলে যাত্রীরা পানিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা অন্য একটি ট্রলার নিয়ে কয়েকজনকে উদ্ধার করেন।
সেদিন হেলাল উদ্দিনের স্ত্রী শিরিন বেগম (৪৫) ও তার আরেক মেয়ে লামিয়া আক্তারকে জীবিত উদ্ধার করে স্থানীয়রা।


