চাঁদা না পেয়ে এক ব্যবসায়ীকে মারধর, হত্যাচেষ্টা ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে পাবনার সুজানগর উপজেলায় এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক রাজা উপজেলার তাঁতীবন্দ ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সুজানগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনও একই গ্রামের বাসিন্দা।
সোমবার দুপুরে মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর সুজানগর থানায় মামলাটি করা হয়। মামলায় যুবদল নেতা ছাড়াও আরও চার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে দাবি করা হয়, যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক রাজা ব্যবসায়ী মোতালেব হোসেনের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ব্যবসায়ী দাবিকৃত চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা জানান।
২০ সেপ্টেম্বর সুজানগর থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে স্থানীয় জাহানারা কাঞ্চন বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ওই ব্যবসায়ীকে গাড়ী থেকে নামিয়ে অভিযুক্তরা মারধর করেন এবং ব্যবসায়ী মোতালেবের কাছ থেকে ২৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন।
এ বিষয়ে সুজানগর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন জানান, আব্দুর রাজ্জাককে প্রধান আসামি করে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোতালেবের ভাতিজা মোস্তাক হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলার ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তবে মামলাটিকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেছেন অভিযুক্ত সুজানগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজা।
তিনি বলেন, ‘গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলার চিনাখড়া এলাকায় জেলা যুবলীগের উদ্যোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মোতালেব হোসেন ওই মিছিলে ছিল এবং তিনি মিছিলের অর্থ যোগানদাতা। সেখানে আমাদের দলীয় লোকজন তাদের মিছিলে বাধা দিয়েছিল এবং ৬ জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। এখন নিজেকে বাঁচাতে মোতালেব কাল্পনিক মিথ্যা একটি মামলা করেছে। আবার নিজে না হয়ে মামলার বাদী হয়েছে তার ভাতিজা দাবিদার মোস্তাক। মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’


