কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপে দুই দিনব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়ে ১, হাজার ৮৫০ কেজি প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন অপচনশীল বর্জ্য অপসারণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ।
শনিবার বিকালে এই অভিযান শেষ হয়। এটি সংগঠনের সেন্টমার্টিনে ১৫তম পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম।
ইউনিলিভার বাংলাদেশের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন পেশাজীবী এবং সেন্টমার্টিনের স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন।
কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মুনতাসির মামুন বলেন, ‘দুই দিনে দ্বীপের অলিগলি ও সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্লাস্টিক বোতল, প্যাকেটসহ নানা ধরনের অপচনশীল ময়লা সংগ্রহ করা হয়েছে।’
এর আগে সংগঠনটি সেন্টমার্টিনে আরও কয়েকবার এমন কার্যক্রম চালিয়েছে বলেও তিনি জানান।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছৈয়দ আলম বলেন, ‘সংগঠনটি গত ১৫ বছর ধরে যে উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে, তা দ্বীপকে পরিষ্কার রাখতে বড় ভূমিকা রাখছে। একইভাবে সবাই দায়িত্ব পালন করলে সেন্টমার্টিনের পরিবেশ আরও ভালো থাকবে।’
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবছর হাজারো পর্যটক দ্বীপে আসায় সৈকতে প্রচুর বর্জ্য জমে। কেওক্রাডংয়ের উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোয় দ্বীপের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে।’
পর্যটন ব্যবস্থাপনা নিয়ে মুনতাসির মামুন বলেন, ‘সারা বছর পর্যটক আসার সুযোগ রাখা উচিত, তবে সীমিত সংখ্যক পর্যটক প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে; যাতে পরিবেশের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের মতো ছোট দ্বীপে পড়ে থাকা প্লাস্টিক যদি মূল ভূখণ্ডে না আনা হয়, তবে এর প্রভাব বঙ্গোপসাগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।’
‘আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস ছিল সামর্থ্য অনুযায়ী সেই সম্ভাব্য ক্ষতি কমিয়ে আনার চেষ্টা’, বলেন তিনি।


