বাংলাদেশের বিপক্ষে সিলেট টেস্ট জিততে দুই দিন হাতে রেখে পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য ছিল রেকর্ড ৪৩৭ রানের। চতুর্থ ইনিংসে পাহাড়সম এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টাতেই দুই ওপেনারকে হারায় পাকিস্তান। এরপর বাবর আজম-শান মাসুদের ৯২ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়লেও তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণি আর নাহিদ রানার গতিতে চিড় ধরে ব্যাটিং অর্ডারে।
সিলেটের ভাঙতে থাকা উইকেটে ৫ উইকেটে ২০০ রান নিয়ে চা-বিরতিতে গেছে পাকিস্তান। জয় থেকে এখনো ২৩৭ রান দূরে তারা। আর ১-০তে এগিয়ে থাকায় সিরিজ জিততে বাংলাদেশের চাই আর ৫ উইকেট।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দিনের অষ্টম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় পাকিস্তান। নাহিদের তুমুল গতির শর্ট লেন্থের বলে গালিতে মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে ক্যাচ দেন ওপেনার আবদুল্লাহ ফজল। আরেক ওপেনার আজান আওয়াইসকে এলবিডব্লিউ করে দ্বিতীয় উইকেট নেন সেই মিরাজই।
এরপর তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক শানের সাথে ১১৫ বলে ৯২ রানের জুটি গড়েন আগের ইনিংসে ফিফটি করা বাবর। বড় হতে থাকা জুটি ভেঙেছেন তাইজুল। এই বাঁহাতি স্পিনারের করা লেগ স্টাম্পের বাইরে বেরিয়ে যেতে থাকা বলে ব্যাট ছুঁইয়ে বসেন বাবর, দারুন রিফ্লেক্সে ক্যাচ ধরেন লিটন দাস। ৫২ বলে ৪টি চার ও ১ ছক্কায় ৪৭ রান করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।বাঁহাতি শানও ফিরেছেন তাইজুলের বলেই।
গুড লেন্থ থেকে লাফিয়ে ওঠা বলে শর্ট লেগে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ দেন ১১৬ বলে ৭১ রান করা পাকিস্তানি অধিনায়ক। এরপর দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে সৌদ শাকিলকে ফিরিয়েছেন নাহিদ রানা। সব মিলিয়ে মাত্র ২৯ রানের মধ্যে পড়ে ৩ উইকেট। মিডল অর্ডারের ধস সামলে ৩৮ রানের জুটিতে লড়ছেন শেষ স্বীকৃত দুই ব্যাটার সালমান আলী ও মোহাম্মদ রিজওয়ান।
এর আগে ৪৬ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ১৪তম সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ৩৯০ রানে থামে বাংলাদেশ। লিড দাঁড়ায় ৪৩৬। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন লিটন দাস, বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭৮। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ২৩২ রানে।


