ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক নুরুল আলম নুরু হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
সোমবার শুনানি শেষে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ইব্রাহিম খলিল এই আদেশ দেন। এসময় কারাগার থেকে ভার্চুয়ালি হাজির করা হয়েছিল ফজলে করিমকে।
এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক নাছির উদ্দীন রাসেল পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে বলে জানান আদালতের এপিপি রিয়াদ উদ্দীন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ রাতে নগরের চন্দনপুরার বাসা থেকে নুরুকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিমের নির্দেশে রাউজান থানার এসআই শেখ মুহাম্মদ জাবেদ এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
নুরুকে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যাওয়া হয় রাউজানের নোয়াপাড়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে। সেখানে চোখ, মুখ ও হাত বেঁধে সারা রাত নির্যাতনের পর তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন বাগোয়ান ইউনিয়নের খেলারঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে তার মরদেহ ফেলে রাখা হয়। ৩০ মার্চ বাঁধের ওপর থেকে হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিহতের স্ত্রী সুমি আক্তার চকবাজার থানায় মামলা করেন। মামলায় সাবেক এমপি ফজলে করিমকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়।
আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন-তৎকালীন নোয়াপাড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই জাবেদ, বাবুল মেম্বার, টাইগার নাসের, লিটন, তৈয়ব, ফরিদ, মামুন, আবু জাফর রাশেদ, ইয়ার মোহাম্মদ, সেকান্দর, জসিম, খালেদ, বাবুল রব্বানি, হাসান মোহাম্মদ নাসির ও মোর্শেদ।


