সাতক্ষীরার তলুইগাছা সীমান্ত দিয়ে ১৫ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।
বুধবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্তের শূন্যরেখায় ভারতের হাকিমপুর বিএসএফ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ও বিজিবির তলুইগাছা বিওপি কমান্ডারের মধ্যে এই পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
পরে রাতেই এই বাংলাদেশি নাগরিকদের সাতক্ষীরা সদর থানার হেফাজতে দেয় বিজিবি।
যে বাংলাদেশিদের হস্তান্তর করা হয়েছে তারা হলেন, খুলনা জেলার কয়রা সদর এলাকার রেজাউল গাজীর স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৪৭), তাদের ছেলে মিলন (১৯), খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার সাহসজয়খালী এলাকার সেলিম মোড়লের ছেলে সবুজ মোড়ল (২২), বক্কার সরদারের মেয়ে রেশমা খাতুন (২২), সবুজ মোড়লের মেয়ে রাজিয়া খাতুন (৭), খুলনা জেলা কয়রা থানার মাদারবাড়িয়া গ্রামের মালেক সরদারের ছেলে মো. জাফারুল ইসলাম (৩৮), তার স্ত্রী রহিমা খাতুন (২৮), ছেলে জামশেদ আলী (১২), মেয়ে জীম সুলতানা (৩), একই উপজেলা ৪নং কয়রা গ্রামের ওমর আলী সরদারের ছেলে এলেম সরদার (১৯), ওমর আলীর স্ত্রী আকলিমা (৪৪), কন্যা আছিয়া খাতুন (১১), কয়রা উপজেলার মহারাজপুর গ্রামের মৃত জিয়াদ আলী গাজীর ছেলে মো. আহসান হাবিব খোকন (৪২), তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম (৩৮) এবং ছেলে সোহান গাজী (৫)।
বিজিবি জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ভারতের হাকিমপুর চেকপোস্ট অতিক্রম করার সময় বিএসএফ নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৫ বাংলাদেশিকে আটক করে। পরদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরোপয়েন্টে বিএসএফের আমুদিয়া কোম্পানি কমান্ডার ইন্সপেক্টর বিকাশ কুমার ও বিজিবি-৩৩ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. আবুল কাশেমের নেতৃত্বে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকের পর বিএসএফ তাদেরকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। পরে বিজিবির একটি টহলদল ওই রাতেই আটককৃতদের সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করেন। এ ব্যাপারে তলুইগাছা বিওপি কমান্ডার নায়েব সুবেদার আবুল কাশেম সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি শামিনুল হক বলেন, ‘হস্তান্তরকৃতদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার হস্তান্তরকৃতদের নাম-পরিচয় যাচাই-বাছাই শেষে তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’


