বর্তমান সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদের বদলে সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিটি গঠন করবে। জুলাই সনদের-এর ভিত্তিতেই সম্পন্ন হবে সংবিধানের যাবতীয় সংশোধন। এ কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৪৩তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তৈরি করা জুলাই সনদে সংবিধান সংশোধনের বিস্তারিত প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংসদ অধিবেশনে এসব প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য আদেশ জারি করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও বিএনপি ও এর জোটের সংসদ সদস্যরা এই শপথ নেননি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে জনপ্রত্যাশা এবং ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর ভিত্তিতে সমঝোতার মাধ্যমে যাবতীয় সংশোধনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
সংবিধানে জিয়াউর রহমানের নাম স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত কমিটি গঠনের পর সেখানেই এসব নিয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হবে।
মন্ত্রী আরো জানান, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ স্বীকৃত বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে সংবিধান সংশোধন কমিটি তাদের খসড়া প্রণয়ন করবে। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে বিধি মোতাবেক প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠের মাধ্যমে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

