শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় গত ১২ দিনের ব্যবধানে নিখোঁজ পাঁচ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মধ্যে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ ও স্বজনরা।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার তিনানী বাজার বড় মসজিদ থেকে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়।
জীবিত উদ্ধার হওয়া ছাত্ররা হলো- উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামের উকিল মিয়ার ছেলে রাব্বানী (১১), মানিক মিয়ার ছেলে তোফায়েল (১২) ও আব্দুল আওয়ালের ছেলে রাসেল (১৩)।
এর আগে, রোববার দুপুরে একসঙ্গে পাঁচগাঁও ইক্বরা মডেল হাফেজিয়া মাদ্রাসার এই তিন শিক্ষার্থী একযোগে নিখোঁজ হয়। এরপর সোমবার তাদের অভিভাবকরা নালিতাবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করতে তৎপর হয়।
সোমবার বিকালে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নালিতাবাড়ী সার্কেল আফসান আল আলম ও নালিতাবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান ফোর্স নিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে মাঠে নামেন। সন্ধ্যার পর তিনানী বাজার বড় মসজিদে তাদেরকে পাওয়া যায়। বর্তমানে উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থীদেরকে তাদের পরিবারের কাছে হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
নালিতাবাড়ী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আফসান আল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ মে সকালে উপজেলার বুরুঙ্গা কালাপানি গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে, স্থানীয় একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইসরাফিল দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। এরপর ৬ জুন নালিতাবাড়ী শহরের আড়াইআনী বাজারস্থ তাহফিজুল কোরআন মডেল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং পাঁচগাঁও গ্রামের খন্দকার মোবারক হোসেনের ১৩ বছর বয়সী ছেলে খন্দকার মাশরাফি মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। তাদের খোঁজ এখনও মেলেনি।


