নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়ে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি শেখ হাসিনাকে ফেরানো, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কসহ নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন।
শনিবার বিকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরানোর প্রশ্নে ‘এটি আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে’ বলে উত্তর দেন তারেক রহমান।
বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে যেখানে আওয়ামী লীগের অনেক সমর্থক রয়েছে, সেই বিবেচনায় সমস্যা সমাধান বা মিটমাটের জন্য পরিকল্পনা কী, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এর সমাধান আইনের শাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে হবে।’
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রায় বা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘এটি বিচার বিভাগের বিষয়।’ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিষয়ে ‘বিচার বিভাগকে নির্বাহী এবং আইনসভার কাছ থেকে আলাদা’ রাখার কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয়, বিএনপি সরকার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চালিয়ে যাবে কি না? এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দেওয়া হয়নি।
ভারত, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখাসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান স্পষ্ট করেন, তার সরকার কোনো বিশেষ দেশ-কেন্দ্রিক নীতি অনুসরণ করবে না। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে।’ বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সম্পর্কের উন্নয়ন ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের আকাঙ্ক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
তিনি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন, যেখানে বহির্বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক হবে মর্যাদাপূর্ণ ।


