শীত এলেও স্বস্তি ফিরছে না চট্টগ্রামের সবজির বাজারে

শীত এলেও স্বস্তি ফিরছে না চট্টগ্রামের সবজির বাজারে
চট্টগ্রামের বাজারে সবজির সরবরাহ। ছবি: জাকির হোসেন/টাইমস
Advertisement
Advertisement

শীতকাল শুরু হলেও চট্টগ্রামের বাজারে সবজির দামে এখনো কোনো স্বস্তি নেই। বছরের এই সময় সাধারণত সবজির দাম কিছুটা কমে আসে। কিন্তু এবার হালিশহর, পাহাড়তলী ও কাজির দেউড়ি এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, বাজারে শীতের সবজিগুলো এখনো ক্রয়ক্ষমতার বাইরে রয়ে গেছে।

ফুলকপি কেজিপ্রতি ৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০, শিম ১২০ ও টমেটো ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বরবটি ১২০ টাকা, লাল আলু ১৬০ ও গাজর ১৫০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে।

কাঁকরোল, পটল, বেগুন ও পেঁয়াজপাতার দাম কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় স্থির আছে।

ছবি: জাকির হোসেন/টাইমস

তবে তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে আলু, যা কেজিপ্রতি ২০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। পটল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, মূলা ৫০ থেকে ৬০, মিষ্টি কুমড়া প্রতি হালি ৫০, কাঁচা কলা হালি ৪০ এবং পেঁপে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়।

ঢেঁড়স, চিচিঙ্গা, কচুর লতি, কচুমুখী, লাউ ও চালকুমড়া মিলছে কেজিপ্রতি ৮০ টাকায়।

কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং ধনেপাতা ২০০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শীতকালীন শাকের আঁটি পাওয়া যাচ্ছে ৫০ টাকায়।

ছবি: জাকির হোসেন/টাইমস

বিক্রেতাদের দাবি, উত্তরবঙ্গ ও পাহাড়ি এলাকায় এখনো শীতের সবজির উৎপাদন পুরোপুরি শুরু হয়নি। সরবরাহ কম থাকায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়ছে।

আরও পড়ুন

তাদের ধারণা, সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও ১৫ দিন থেকে এক মাস সময় লাগতে পারে।

অন্যদিকে, ডিমের দাম কিছুটা স্থিতিশীল হলেও মুরগির দাম বাড়তি দেখা গেছে।

ছবি: জাকির হোসেন/টাইমস

ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৭০ টাকা, যা গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ টাকা বেশি। লাল ও সাদা ডিম ডজনপ্রতি ১২০ থেকে ১২৫ টাকা এবং হাঁসের ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

গরুর মাংস কেজিপ্রতি ৭৫০ থেকে ৯৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২০০ টাকা। সোনালি মুরগি ২৯০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

মাছের বাজারেও বড় কোনো পরিবর্তন নেই। সামুদ্রিক ও চাষের অধিকাংশ মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ছবি: জাকির হোসেন/টাইমস

লইট্যা মাছ ২০০ টাকা, কোরাল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং চিংড়ি ৭৫০ তেকে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রুই-কাতলা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৬০০, শিং ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং পুঁটি শাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা আশা করছেন, সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে শিগগির দাম কমবে এবং বাজার আবারও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad