ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিনসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
সোমবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন— মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ওরফে মো. রফিকুল ইসলাম (৫০), মিজানুর রহমান ওরফে মিজান (৩৭) এবং মো. রেজাউল করিম (৩৪)। গ্রেপ্তার মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন রবিউল নামে এবং মিজানুর রহমান নিরব, মিজু আহমেদ নামেও পরিচিত।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার রাত ৩টা ২০ মিনিটে উত্তরা পূর্ব থানার ৬ নম্বর সেক্টরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
উত্তরা পূর্ব থানা সূত্র জানায়, রোববার রাতে যৌথ বাহিনীর সঙ্গে উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশের একটি দল আজমপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, উত্তরা পূর্ব থানার ৬ নম্বর সেক্টরের ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূর্ব পাশে কয়েকজন ব্যক্তি ভুয়া র্যাবের পোশাক পরে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চার রাউন্ড কার্তুজ, একটি ডামি পিস্তল, অ্যান্টেনাযুক্ত ব্যাটারিসহ একটি ওয়াকি-টকি সেট, দুই জোড়া হ্যান্ডকাফ, চারটি র্যাব জ্যাকেট, দুটি ভুয়া র্যাব আইডি কার্ড, দুটি পিস্তলের কাভার, একটি রিফ্লেক্টিং জ্যাকেট, একটি স্টিলের হাতুড়ি, কাগজে তৈরি দুটি গাড়ির নম্বরপ্লেট, তিনটি মোবাইল ফোন এবং নগদ দুই হাজার ৬৭০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ওরফে মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিউলের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় আটটি মামলা রয়েছে। এবং মিজানুর রহমান ওরফে মিজান ওরফে নিরব ওরফে মিজু আহমেদের বিরুদ্ধে রয়েছে তিনটি মামলা বলে জানায় উত্তরা পূর্ব থানা।
গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানানো হয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।


