শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে।
রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে তাকে আটক রাখার আবেদন জানিয়েছে।
আদালতের আদেশের অপেক্ষায় আখতারুজ্জামানকে হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
এর আগে শনিবার তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মদিনা থেকে ঢাকায় আসেন। সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে যাত্রীরা ইমিগ্রেশন শেষ করে লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর বেল্ট এলাকায় যান।
এ সময় যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে ট্রলি সংকট দেখা দেয়। ট্রলি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ লাইন তৈরি হলে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী নিয়ম ভেঙে ট্রলি নেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, লাগেজ পেতে দেরি ও জমজমের পানি না পাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে অশোভন আচরণ করেন। এতে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় সরকারি কাজে বাধা ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিজ বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এক দিনের রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হয়।


