চাঁদা না পেয়ে গুলিবর্ষণ যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা সাইমন রিমান্ড শেষে কারাগারে

যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা সাইমন রিমান্ড শেষে কারাগারে
ছবি: টাইমস
Advertisement
Advertisement

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় চাঁদা না পেয়ে মারধর ও ফাঁকা গুলিবর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার চার দিনের রিমান্ড শেষে সাইমনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসিম।

শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক আরিফ রেজা।

তিনি জানান, এ মামলায় অপর তিন আসামির তিন দিনের রিমান্ড শেষে গত সোমবার তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর সাইমনের চার দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, চার দিনের রিমান্ডে সাইমন মামলাটি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। জামিনে মুক্তি পেলে আসামি পলাতক হতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে জেলহাজতে আটক রাখা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

এর আগে, গত ২ অক্টোবর সাইমনসহ চার আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মামলার অপর আসামিরা হলেন—ওমর (৩২), মোর্শেদ (২৫) ও মো. শাওন (২৫)।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে হাতিরঝিল থানার বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাসার সামনে বাদী মো. সোহানের পথরোধ করেন আসামিরা। এ সময় প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।

বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাইমন পিস্তল বের করে তার বুকের দিকে তাক করে গুলি করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পিস্তলের বাট দিয়ে সাইমন বাদীর মাথায় আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান।

আহত সোহান স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার পথে সাইমনসহ অন্য আসামিরা মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে এসে আবারও সোহানকে মারধরের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে তার ভগ্নিপতি মোক্তার হোসেনকেও মারধর করা হয়।

একপর্যায়ে সাইমন পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে কয়েকজনকে আটক করেন। পালানোর সময় সাইমনকেও আটক করা হয়। খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. সোহান বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় মামলাটি করেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad