সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘বিএনপির কেউ যদি দলের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করেন তাদের কোনোভাবে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।’
শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন বলেন রুহুল কবির রিজভী।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, গণমাধ্যমকে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। একটি অসত্য সংবাদ রাষ্ট্র ও সমাজের মাঝে অনেক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।
কোনোকিছু ঘটলেই বিএনপির ওপর দায় চাপানো যেন কারও কারও অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। সমাজবিরোধী কাজে যেই জড়িত হবে তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু সরকার কেনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলেও জানান দলটির এই নেতা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে দৃশ্যমান উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। নিত্যপণ্য দ্রব্যে যারা কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বিশ্ববাজারে যখন গমের দাম কমেছে, তখন বাংলাদেশে দাম বেড়েছে। জনগণকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব সরকারের। রাষ্ট্র ব্যর্থ হলে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সৃষ্টি হতে পারে সামাজিক অস্থিরতা।
রাউজানে কিছু সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হয়েছে। অথচ, কয়েকটি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ওই অস্ত্রধারীরা বিএনপির লোক! কোনো প্রমাণ ছাড়া এগুলো লেখা দুঃখজনক। রাউজানে নানা অভিযোগে অনেক সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যোগ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, ‘এমনকি বিএনপি ১৫ বছরের অত্যাচার-অবিচার থেকে মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছে। জুলাই-আগস্টে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। মানুষ হয়ত কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস নিচ্ছে। কিন্তু এখনো আতঙ্কমুক্ত নয়।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম সচিব আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, আমিনুল ইসলাম, রমেশ দত্ত প্রমুখ।


