রাজধানীর মীরহাজিরবাগে চোর সন্দেহে এক কিশোরকে ‘পিটিয়ে হত্যা’ করা হয়েছে। বুধবার মীরহাজিরবাগ আবু হাজী মসজিদ গলির একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত বাপ্পির (১৫) বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার কদমতলা গ্রামে। বাবা শাহজাহান রিকশাচালক এবং মা পারুল বেগম একটি কারখানার কর্মী। তারা ধোলাইপাড় প্রেম গলির মজিবর মুন্সির বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, বৈদ্যুতিক প্রিপেইড মিটার চুরির অভিযোগে বুধবার বাপ্পিকে একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘসময় ধরে তাকে নির্যাতন করলে তার মৃত্যু হয়।
তার বাবা শাহজাহান বলেন, ‘আমার ছেলে যদি কোনো অপরাধ করে থাকে, তাহলে মারধর না করে পুলিশে দিত। এভাবে মেরে ফেলল কেন? আমি এর বিচার চাই।’
বাপ্পির বড় ভাই পারভেজ বলেন, মা ও বাপ্পি একটি কারখানায় কাজ করত। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে কাপশি রাসেল, মোল্লা শুভ ও ময়না শাকিব নামে তিনজন তাদের বাসায় এসে বাপ্পিকে ধরে নিয়ে যায়। পরে চোর অপবাদ দিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


