রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন পেছানোর যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, সেটা ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক নজরুল ইসলাম।
রোববার রাতে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।
পরে সেখানে উপস্থিত নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা কামাল আকন্দ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি, ‘রাকসু নির্বাচন পেছানোর যে গুঞ্জন ছড়িয়েছে, এটা ভিত্তিহীন। নির্বাচন কমিশনে রাকসু নির্বাচন পেছানোর ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর (রাকসু) নির্বাচন হবে।’
রাকসু নির্বাচন আয়োজনের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সন্তানদের ভর্তিতে প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা বা পোষ্যকোটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি। বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার রাতে এ কোটা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা। এ সিদ্ধান্তে অসন্তোষ জানিয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউনের’ ঘোষণা দেয় অফিসার্স সমিতি।
এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর পোষ্য কোটাকে কেন্দ্র করে উপউপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান ও জনসংযোগ প্রশাসক অধ্যাপক আখতার হোসেন মজুমদারকে অবরুদ্ধ করে রাখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনায় উপউপাচার্য, উপরেজিস্ট্রারসহ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী আহত হন।
পরদিন রাত ১টার দিকে আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পোষ্যকোটায় ভর্তি কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণা দেয়। রোববারের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় সেই সিদ্ধান্তই বহাল রাখা হয়।
২৫ সেপ্টেম্বর ৯টি একাডেমিক ভবনের ১৭টি কেন্দ্রে ৯৯০টি বুথে হবে রাকসুর ভোট গ্রহণ। ভোট শেষে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে হবে গণনা এবং পুরো প্রক্রিয়া দেখানো হবে বাইরের বড় পর্দায়।


