বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন রংপুর মহানগর ও জেলা আওয়ামীলীগ ও যুবলীগের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী জানান, মঙ্গলবার রাত দেড়টায় নগরীর দেওডোবা এলাকা থেকে মহানগর আওয়ামীলীগের ১৪ নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম এবং ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি শফিকুল ইসলাম মোকাররম ও কল্যানী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতায়ালী থানা পুলিশ। আমিনুল ইসলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ মো. শহিদুল ইসলাম সাগর হত্যাচেষ্টার এজাহারভুক্ত আসামী।
অন্যদিকে, নগরীর দর্শনা এলাকা ১৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রায়হান আলীকে গ্রেপ্তার করে তাজহাট থানা পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একাধিক হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে।
রংপুর পুলিশ সুপার আবু সাইম জানান, মিঠাপুকুর থানাধীন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬ নং কাফ্রিখাল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ফুয়াদ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উপজেলার শাহ আমানত ফিলিং স্টেশন এলাকায় স্থানীয়রা তাকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। তার বিরুদ্ধে শিবির নেতা হত্যা মামলাসহ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একাধিক হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলা আছে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, দামোদারপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল হককে গ্রেপ্তার করেছে বদরগঞ্জ থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা রয়েছে।


