টানা দুই বছরের যুদ্ধ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল ইসরায়েল ও গাজার সশস্ত্র বাহিনী হামাস। শুরু হয়েছিল তা কার্যকর করা ও জিম্মিমুক্তির প্রক্রিয়াও। এই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় হামলা চালিয়ে ৯৭ জনকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজা সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৯৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।এ সময়ে আহত হয়েছে অন্তত ২৩০ জন।
এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, এসময়ের মধ্যে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ৮০টি ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের তালিকায় সাধারণ মানুষের উপর সরাসরি গুলি চালানো, উদ্দেশ্যমূলক মর্টার শেল নিক্ষেপ, নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, বিমান হামলা এবং সাধারণ নাগরিককে গ্রেপ্তার করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে মিডিয়া অফিস।
গাজা সরকারি মিডিয়া অফিসের মতে, ‘এধরনের কার্যকলাপ দখলদারিত্বের আগ্রাসী মনোভাব, আবারও উত্তেজনা বাড়ানোর ইচ্ছা এবং রক্ত ও হত্যায় তাদের অবিরাম ক্ষুধাকেই প্রতিফলিত করে।’
ইসরায়েল বলছে, হামাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে তাদের সেনাবাহিনী। যদিও হামাস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গত ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে হামাসের সঙ্গে চুক্তির অনুমোদন দেয় ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা। তবে এর পর পরই দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস ও উত্তর গাজার একাধিক স্থানে বোমা হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী।
তারপর আরও কিছু হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি ভেঙে গাজা উপত্যকায় ১১ জনকে হত্যা করে ইসরায়েলি সেনারা।


