এতোদিন যারা নির্বাচন চাই বলে বলে জনগণকে পাগল করে তুলেছিল, তারাই এখন ভিন্নসুরে কথা বলছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
জামায়াতের আমির বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন, তাদের লক্ষণ ভালো নয়। তারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন জনগণ তাদের লালকার্ড দেখানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
শনিবার দুপুরে সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ইসলামী ও সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, দফায় দফায় এতো রক্ত, ত্যাগের পর দেশবাসী আশা করেছিল অতীতের অপকর্মের পরিণতির শিক্ষা নিয়ে রাজনীতিবিদরা নতুনভাবে শুরু করবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে একদল সেই পুরাতন ধারায় পড়ে আছে। তারা কোনো সংস্কারে রাজি না, তারা সনদ বাস্তবায়ন রাজি না, তারা গণভোটে প্রথমে রাজি ছিল না। পরে সেই গণভোট একদিনেই হতে হবে বলে সরকারকে বাধ্য করেছে।
সমঝোতায় না আসা ইসলামী দলগুলোকে ইসলামের আঙিনায় আসার আহ্বান জানান জামায়াতের শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, ‘যারা মুসলমানদের জঙ্গী বলে তাদের সঙ্গে আপনাদের মানায় না। আপনারা আসলে আমরা বুকে জড়িয়ে কবুল বলবো।’
জামায়াতের আমির বলেন, ফ্যাসিস্টরা দেশ থেকে পালালেও ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনো কাটেনি। একদল অপকর্ম করে পালিয়েছে, আরেকদল সেই অপকর্মের দায় কাঁধে তুলে নিয়েছে। কেউ চাঁদাবাজি করে জনগণের ক্ষোভের কারণ হয়েছে, আবার কেউ আরও বেশি শক্তি নিয়ে একই কাজ করছে।
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট ও পাঁচ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সিলেটের সমাবেশের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে ইসলামী আট দলের বিভাগীয় সমাবেশ।
সিলেটের এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাইর পীর মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির মাওলানা সারওয়ার কামাল আজিজী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান ও বাংলাদেশ ডেভোলাপমেন্ট পার্টির (বিডিপি) সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁন।


