জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের মামলা

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের মামলা
মো. শহিদুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

পটুয়াখালীর এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে বিধবাকে ধর্ষণ এবং অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার পর জোরপূর্বক গর্ভপাতের পর মামলা হয়েছে। জেলা জামায়াত বলছে, আদালতে অভিযোগের প্রমাণ মিললে তারা ব্যবস্থা নেবে।

বুধবার বাদীর আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গত ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করা হয়। এতে একমাত্র আসামি করা হয়েছে সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামকে। মামলার পর থেকেই শহিদুল পলাতক।

বিচারক শিরিন নিলা মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহার গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আদালতের আদেশের কপি পাওয়ার পর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, প্রায় সাত বছর আগে তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। সেই সময় থেকেই শহিদুল ইসলাম তাকে বিভিন্ন সময় আপত্তিকর প্রস্তাব দেন। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গত ২৪ মার্চ শহরের শেরে বাংলা সড়কে তার বোনের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

এজাহারে আরও বলা হয়, গর্ভধারণের পর যুব জামায়াত নেতা সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হলে গত ১৮ মে চিকিৎসার কথা বলে একটি ক্লিনিকে নিয়ে জোর করে ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং জ্ঞান ফেরার পর জানতে পারেন তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসান টাইমস অব বাংলাদেশের প্রশ্নে বলেন, ‘আদালতে অভিযুক্ত দোষী প্রমাণিত হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad