ঢাকার ফার্মগেটে মেট্রোলাইনের শক অ্যাবজরভারের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে এক পথচারীর মৃত্যুর তিন দিনের মাথায় যাত্রীদের বিনা উদ্বেগে ভ্রমণের আহ্বান জানাল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যথাযথ নিরাপত্তা মেনে মেট্রোরেল চলাচল করছে। নিরাপত্তার ব্যাপারে যাত্রীরা যেন উদ্বিগ্ন না হন, সে অনুরোধও জানানো হয়েছে।
এর আগে রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ফার্মগেট এলাকায় মেট্রোলাইনের বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে নিহত হন ৩৫ বছর বয়সী আবুল কালাম আজাদ।
মেট্রোরেলের পিলারের বিয়ারিং প্যাডের ওজন একশ কেজির বেশি। রাবারের তৈরি এই বিয়ারিং প্যাড মেট্রোরেলের পিলার ও ভায়াডাক্টের (স্প্যান) মাঝখানে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহারের যার ফলে পিলারের সঙ্গে ভায়াডাক্টের মধ্যে ঘর্ষণ হয় না।
আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুর পর বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোরেল চলাচল। এতে ঢাকার নগরজীবনে নেমে আসে দুর্ভোগ। সময়ের সঙ্গে মেট্রোনির্ভর হয়ে ওঠা ঢাকাবাসী পড়েন চরম বিপাকে।
বেশ কয়েক ঘণ্টা পর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ হলেও সেদিন বন্ধ ছিল আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত চলাচল। পরদিন সোমবার কয়েকদফায় পরীক্ষামূলক চলাচলের পর সাধারণ যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় মেট্রোরেল। তবে এখনো বিজয় সরণি থেকে ফার্মগেট স্টেশন পর্যন্ত মেট্রোরেল সাধারণের চেয়ে কম গতিতে চলছে। ফলে এই পরিষেবা নিয়ে যাত্রীদের অস্বস্তি কাটছে না।
দুর্ঘটনায় মেট্রোলাইন থেকে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ার ঘটনার পর থেকেই যাত্রীদের মনে এক ধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেকেই নতুন দুর্ঘটনার আশঙ্কাও করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
এ পরিপ্রেক্ষিতে যাত্রীদের উদ্বেগ দূর করতে বিজ্ঞপ্তি দিল ডিএমটিসিএল।


