মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার চুড়ারগাতি ও রাজারহাট গ্রামে এক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত নদীভাঙনে প্রায় এক হাজার মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে কৃষিজমি, গাছপালা ও বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন অর্ধশতাধিক কৃষক।
ক্ষতিগ্রস্ত সালেহা বেগম, পিকুল কাজী ও সিরাজ মাস্টার জানান, ভাঙনের কবলে তাদের একাধিক বিঘা ফসলি জমি ও বাগান নদীতে তলিয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে মধুমতি নদীর ভাঙন দেখা দিলেও কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিনিয়ত নদী গিলে খাচ্ছে তাদের সম্পদ।
জরুরি ভিত্তিতে ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলা ও বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা মধুমতির গর্ভে হারিয়ে যাবে বলেও জানান তারা।

সর্বস্ব হারিয়ে তারা এখন দিশেহারা হয়ে পড়লেও ইউনিয়ন পরিষদ বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা মেলেনি বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
বাবুখালি ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমরা বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু এখনও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ওই দুই গ্রামের প্রায় ৩০০ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবে।’
মাগুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজন জানান, সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন শেষে নদীভাঙনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


