ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগ তুলে দীপু চন্দ্র দাশকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ।
রোববার এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
এর আগে এ ঘটনায় জড়িত দশজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। র্যাব-১৪ এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান তাদেরকে গ্রেপ্তারের পর জানান, ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা আত্মগোপনে যান। নিহত দীপু চন্দ্র দাশ ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করেছেন বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে কাজ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উপজেলার ডুবালিয়াপাড়া এলাকার পাইওনিয়ার নিট কম্পোজিট কারখানায় দীপু চন্দ্র দাশকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা নিহতের মরদেহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে নিয়ে গিয়ে গাছে ঝুলিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ রাত আড়াইটার দিকে অর্ধপোড়া মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
এ ঘটনায় শুক্রবার বিকালে নিহতের ছোট ভাই অপু চন্দ্র দাস বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনকে আসামি করে ভালুকা থানায় মামলা করেন।
নিহতের বাবা রবি চন্দ্র দাস ও বোন চম্পা দাসের দাবি, কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে দীপুকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত দীপু চন্দ্র দাশ তারাকান্দা উপজেলার মোকামিয়া কান্দা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই কারখানার কোয়ালিটি সুপারভাইজার ছিলেন।


