ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচারের সময় শেষ হয়েছে। এখন অপেক্ষা বৃহস্পতিবারের ভোট উৎসবের।
সেদিন দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসলে ভোটগ্রহণ হবে। কেবল জামায়াতের প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে একটি আসনে ভোট স্থগিত করা হয়েছে।
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশে নিরাপদে ভোটগ্রহণের জন্য এরই মধ্যে গোটা দেশ ঢেকে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। পুলিশসহ অন্যান্য নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ বিশেষায়িত বাহিনীর সদস্যদের।
সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছেন এক লাখ সেনাসদস্যসহ মোট ৮ লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।
সারাদেশে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ স্থাপন করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে তারা।
এবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হওয়ায় বুথ ও ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে। ফলে ফলাফল প্রকাশে অন্যান্য বারের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং কর্মকর্তা রয়েছেন।
ভোট পর্যবেক্ষণ করতে উপস্থিত থাকবেন ৮১টি সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন দেশি পর্যবেক্ষক। পাশাপাশি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক মিলিয়ে থাকছেন আরও ৫৪০ জন।
দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ না থাকলেও এবারের ভোটে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল। নির্বাচনে মোট প্রার্থী দুই হাজার ২৯ জন, যেখানে স্বতন্ত্র ২৭৪ জন।


